হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার সার মাফিয়াদের বিরুদ্ধে নিল কড়া পদক্ষেপ। কালোবাজারির মতো সমস্যাকে এখন থেকে আর ‘সাধারণ অপরাধ’ হিসেবে দেখা হবে না। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্পষ্ট জানিয়েছেন, যারা কৃষকদের সংকটে ফেলে মুনাফা লোটে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে জাতীয় নিরাপত্তা আইন বা এনএসএ প্রয়োগ করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, সারের চোরাকারবার কেবল প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর আঘাত হানে। কৃষকদের যাতে সারের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে না হয়, তার জন্য জেলা প্রশাসনকে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলেই এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ রয়েছে। এখন থেকে আর কেবল শোকজ করে থেমে থাকা হবে না। অপরাধীদের সরাসরি শ্রীঘরে পাঠানো হবে।
সারের জোগান স্বাভাবিক রাখতে রাজ্যজুড়ে সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু হয়েছে। গত দু’বছরে ৫০০০-এর বেশি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। দোকানের স্টক রেজিস্টার ও বিক্রয়মূল্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও আধিকারিক যদি কালোবাজারিতে মদত দেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বচ্ছতা আনতে প্রতিদিনের স্টকের তথ্য অনলাইনে আপলোড করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ রবি মরসুমের জন্য ইউরিয়া, ডিএপি ও এনপিকে মিলিয়ে ১৩০ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি সার মজুত আছে। পর্যাপ্ত জোগান থাকা সত্ত্বেও কেউ যদি কালোবাজারি করে অভাব তৈরি করার চেষ্টা করে, তবে তা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে। কৃষকদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, সারের দাম বেশি নিলে বা কালোবাজারি দেখলে যেন তৎক্ষণাৎ প্রশাসনকে জানানো হয়। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সর্বদা বদ্ধপরিকর।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন