Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Yogi Adityanath

যমুনার পাড়ে এবার ডিজিটাল অর্থনীতির জোয়ার, ২৫০ একরে তৈরি হচ্ছে বিশাল ‘ফিনটেক পার্ক’

যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ইয়েডা)-র সেক্টর-১১ এলাকায় ২৫০ একর জমির ওপর গড়ে উঠতে চলেছে এক অত্যাধুনিক ‘ফিনটেক পার্ক’।

হেমন্ত মৈথিল
হেমন্ত মৈথিল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৬:৩৬

link
হেমন্ত মৈথিল
হেমন্ত মৈথিল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৬:৩৬

options
link
যমুনার পাড়ে এবার ডিজিটাল অর্থনীতির জোয়ার, ২৫০ একরে তৈরি হচ্ছে বিশাল ‘ফিনটেক পার্ক’ zoom
Advertisement

উত্তরপ্রদেশের শিল্প মানচিত্রে এবার এক নতুন পালক জুড়তে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে রাজ্য সরকার ডিজিটাল অর্থনীতির এক নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ইয়েডা)-র সেক্টর-১১ এলাকায় ২৫০ একর জমির ওপর গড়ে উঠতে চলেছে এক অত্যাধুনিক ‘ফিনটেক পার্ক’। সরকারি সূত্রে খবর, এটি কেবল একটি সাধারণ আইটি পার্ক নয়, বরং আর্থিক প্রযুক্তির এক সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

প্রশাসন সূত্রের খবর, এই পার্কটি ব্যাংকিং থেকে শুরু করে ব্লকচেইন প্রযুক্তির একটি বিশাল হাব হয়ে উঠবে। এখানে ডিজিটাল পেমেন্ট, ইনশিওরটেক (বিমা প্রযুক্তি), ইনভেস্টটেক এবং ফিনটেক সাশ (SaaS)-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তির কাজ হবে। স্টার্টআপ থেকে শুরু করে বড় আন্তর্জাতিক সংস্থা— সব পক্ষকেই এই প্রকল্পে শামিল করার পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের যাবতীয় আধুনিক প্রযুক্তি একই ছাদের নিচে পাওয়া যাবে এই পার্কে।

Advertisement

এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল এর ভৌগোলিক অবস্থান। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের ধারে অবস্থিত এই এলাকাটি নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একেবারে কাছে। বিমানবন্দর চালু হলে এই এলাকাটি বিদেশি লগ্নিকারীদের জন্য আদর্শ গন্তব্য হয়ে উঠবে বলে মনে করছে প্রশাসন। দিল্লি-এনসিআর এলাকার সঙ্গে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় এখান থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে ব্যবসা পরিচালনা করা অনেক সহজ হবে।

ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের বিস্তারিত রিপোর্ট বা ডিপিআর তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এক আন্তর্জাতিক স্তরের কনসালটেন্সি সংস্থাকে। ডিপিআর তৈরি হয়ে গেলেই লগ্নিকারীদের জমি বরাদ্দের কাজ শুরু হবে। এই ফিনটেক পার্কের হাত ধরে রাজ্যে কয়েক হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার নিরাপত্তা এবং ফিন্যান্সিয়াল সফটওয়্যার নিয়ে পড়াশোনা করা তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি এক বড় সুযোগ।

শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথাগত শিল্পের বাইরে বেরিয়ে উত্তরপ্রদেশ এখন সেমিকন্ডাক্টর ও ফিনটেকের মতো উচ্চমানের প্রযুক্তিনির্ভর ক্ষেত্রে জোর দিচ্ছে। এই ফিনটেক পার্ক প্রকল্পটির মাধ্যমে ডিজিটাল ফিন্যান্সের মানচিত্রে রাজ্য এক শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছে যাবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.