৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

টানা ৬ ম্যাচে হার, আইপিএলে কার্যত শেষ নাইটদের অভিযান

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 25, 2019 11:54 pm|    Updated: April 25, 2019 11:57 pm

An Images

কেকেআর: ১৭৫-৬ (কার্তিক ৯৭)

রাজস্থান:  ১৭৭-৭ (পরাগ ৪৭)

রাজস্থান ৩ উইকেটে জয়ী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কার্তিকের অনবদ্য অর্ধশতরান, এবং দুই স্পিনারের ঘূর্ণিও বাঁচাতে পারল না কেকেআরকে। ঘরের মাঠে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হেরে আইপিএল থেকে কার্যত ছিটকে গেল নাইটরা। মরণ-বাঁচন ম্যাচে কেকেআর হারল ৩ উইকেটে।

[আরও পড়ুন: কার্তিক ও উথাপ্পা-সহ পাঁচ তারকাকে বিশ্রামে পাঠাল কেকেআর]

এদিন ইডেনের ব্যাটিং সহায়ক পিচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৭৫ রান করে কলকাতা। টুর্নামেন্টে বেঁচে থাকতে হলে জিততেই হবে, এই পরিস্থিতিতে খেলতে নেমে আরও একবার ব্যর্থ হন অজি ওপেনার ক্রিস লিন। শূন্য রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। নীতীশ রানা, শুভমন গিলরাও খুব একটা নজর কাড়েননি। কিন্তু, তাদের সেই সব ব্যর্থতা ঢেকে দেন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি।

চাপ ছিল পাহাড়প্রমাণ। দলের যাবতীয় ব্যর্থতার দায় তাঁর উপরই চাপছিল। তাছাড়া, অধিনায়ক হিসেবেও অনেকটা দিশেহারা দেখাচ্ছিল দীনেশ কার্তিককে। প্রশ্ন উঠছিল তাঁর বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়া নিয়েও। সেসব প্রশ্ন হয়তো এক ইনিংসেই থামিয়ে দিলেন কেকেআর অধিনায়ক। ঘরের মাঠে মরণ-বাঁচন ম্যাচে নিজের জাত চেনালেন কার্তিক। বুঝিয়ে দিলেন কেন তাঁকে বিশ্বকাপের দলে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এবং এই মুহূর্তে কেন তাঁকে দেশের সেরা ফিনিশারদের মধ্যে ধরা হয়। কার্তিকের ইনিংসের সুবাদরেই ১৭৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর খাড়া করে কেকেআর।

[আরও পড়ুন: নাইটদের ম্যাচ দেখতে মাঠে এসে এ কী করলেন মদ্যপ অভিনেত্রী!]

কিন্তু কার্তিকের এই দুর্দান্ত ইনিংসেও শেষরক্ষা হল না নাইটদের। আরও একবার ডোবাল বোলারদের ব্যর্থতা। ১৭৬ রানের পুঁজি নিয়ে বোলিং করতে নেমে, পেসাররা একেবারেই সুবিধা করতে পারলেন না। সুনীল নারিন এবং পীযূষ চাওলার দুর্দান্ত ঘূর্ণির জেরে কেকেআর ম্যাচে লড়াই দিলেও পেসারদের ব্যর্থতায় হারতে হল। রাজস্থানের হয়ে দুর্দান্ত ইনিংস খেললেন তরুণ ক্রিকেটার পরাগ। এই ম্যাচে হারের ফলে, আইপিএলে কেকেআরের লড়াই কার্যত শেষ। নিজেদের সবকটি ম্যাচ জিতলেও অন্য দলের ফলাফলের উপর নির্ভর করতে হবে কলকাতাকে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement