BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

পুজোর আগেই সারাতে হবে কলকাতার দু’শো রাস্তা, কলকাতা পুরসভাকে তালিকা দিল লালবাজার

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: September 29, 2020 9:31 pm|    Updated: September 29, 2020 9:32 pm

An Images

অর্ণব আইচ: পুজোর আগেই সারাতে হবে রাস্তা। মঙ্গলবার লালবাজারে একটি বিশেষ বৈঠকের পর কলকাতার (Kolkata) প্রায় ২০০ রাস্তার তালিকা পুরসভা, কেএমডিএ, পিডব্লুডির হাতে তুলে দিল পুলিশ। তৃতীয়ার আগেই যাতে এই কাজ শেষ হয়, সে বিষয়ে এদিন দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পুলিশ। দমকলকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্যানিটাইজার পুজোর মণ্ডপে রাখলেও, তা থেকে যাতে অগ্নিকাণ্ড না হয়, সেই বিষয়ে প্রত্যেক পুজো কমিটিকে সচেতন করতে হবে। এছাড়াও রাস্তা ও মণ্ডপ স্যানিটাইজ করার জন্য দমকল ও পুরসভাকে অনুরোধ করা হয়েছে পুলিশের তরফে।

জানা গিয়েছে, এদিন লালবাজারে দমকল, কলকাতা পুরসভা, কেএমডিএ, পিডব্লুডি, সিইএসসি, মেট্রোরেলের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন পুলিশকর্তারা। এই বৈঠকে লালবাজারের পক্ষ থেকে প্রায় দুশো খারাপ রাস্তার তালিকা প্রকাশ করা হয়। সূত্রের খবর, দক্ষিণ কলকাতার প্রধান কয়েকটি রাস্তা যেমন দেশপ্রাণ শাসমল রোড, গড়িয়া থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত নেতাজি সুভাষ রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোড, বাইপাসের কিছু অংশের রাস্তার নাম রয়েছে সেই তালিকায়। এছাড়াও উত্তর কলকাতা ও পূর্ব কলকাতার বেশ কিছু রাস্তার কথা বলা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে যাদবপুর, বেহালা, উত্তর, পূর্ব কলকাতার বহু ছোট রাস্তার নামও। পুজোর সময় এই রাস্তাগুলি দিয়ে যাতায়াত করতে যাতে গাড়ির কোনও অসুবিধা না হয় ও দুর্ঘটনা এড়ানো যায়, সেবিষয়ে পুলিশ গুরুত্ব দিচ্ছে। ঠাকুর দেখার ক্ষেত্রেও পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রেখে মানুষ যাতে সহজে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে পারেন, সেই বিষয়েও নজর দেওয়া হয়েছে। চলতি বছর ঠাকুর দেখার জন্য দলবেঁধে সাইকেলেও অনেকে বের হতে পারেন। তাই অপরিসর রাস্তাগুলিও যাতে সারানো হয়, সেই অনুরোধও করেছে পুলিশ। পুরসভা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই শহরের বহু রাস্তা সারানো শুরু হয়ে গিয়েছে। বাকি রাস্তাগুলিও সরানোর কাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। পুজোর সময় যাতে রাস্তার আলোর সমস্যা না হয়, সেবিষয়ে পুরসভাকে দেখতে অনুরোধ করা হয়েছে। গাছের শাখা-প্রশাখার জন্য যাতে রাতে কোথাও অন্ধকার সৃষ্টি না হয়, তার উপরও পুলিশ গুরুত্ব দিতে বলেছে। কারণ, রাস্তা অন্ধকার থাকলে পুজোর সময় অপরাধের চেষ্টা করতে পারে দুষ্কৃতীরা। বিসর্জনের জন্য ঘাটগুলি যাতে প্রস্তুত থাকে, সেই বিষয়েও আলোচনা করা হয় এদিন।

[আরও পড়ুন: ফের ১৪ দিন লকডাউন হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনায়? জানুন কী বললেন জেলাশাসক]

লালবাজারের এক কর্তা জানিয়েছেন, যেহেতু এবার তৃতীয়া থেকে পুজো, সেই কারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে তার অনেক আগেই কাজ শেষ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। রাস্তায় ব্যারিকেড ও ওয়াচ টাওয়ার তৈরির ব্যাপারে পিডব্লুডি (PWD) আধিকারিকদের সঙ্গে পুলিশ কর্তারা আলোচনা করেন। স্যানিটাইজার থেকে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে লিফলেটের মাধ্যমে সকলে সতর্ক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণও দিতে পারে দমকল। কী ধরনের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র মণ্ডপগুলিতে রাখতে হবে, তাও দমকলের পক্ষ থেকে পুজো কমিটিকে জানানো হবে। তবে এই দিনের বৈঠকে পুজোর সময় সারারাত মেট্রো পরিষেবা মিলবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কর্তৃপক্ষের তরফে কিছু জানানো হয়নি বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: পাহাড়ে পার্বতীর পথ আটকেছে করোনাসুর, পুজোর প্রাক্কালে অলক্ষ্মীর ছাপ কুমোরটুলিতে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement