Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পড়ুয়াদের সর্বনাশ করছে ‘চেরি’, গোয়েন্দাদের নজরে ৪৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

ছাইয়ের ধোঁয়া টানলেই নেশা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ১৩:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ১৩:১১

options
link
পড়ুয়াদের সর্বনাশ করছে ‘চেরি’, গোয়েন্দাদের নজরে ৪৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: নগদ টাকার ক্ষেত্রে নিজেদের লোককেও বিশ্বাস নেই। একটুখানি সুযোগ পেলেই চালিয়ে দিতে পারে জাল নোট। তাই মাদক পাচারেরও ভরসা সেই ব্যাংক লেনদেন।

হিমাচল প্রদেশের কুলু থেকে কলকাতা। সেখান থেকে চরসের মতো মাদক পৌঁছচ্ছে ঝাড়খণ্ডে। আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রকে ধরে কলকাতা ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় ৪৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেলেন কেন্দ্রীয় সংস্থা নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) গোয়েন্দারা। ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমেই লেনদেন হচ্ছিল মাদক পাচারের টাকা। যেভাবে এতগুলি ব্যাংক অ্যাকাউন্টকে কাজে লাগিয়ে মাদক পাচার হচ্ছে, তাতে হতবাক গোয়েন্দারাও। এক গোয়েন্দাকর্তা জানিয়েছেন, ওই অ্যাকাউন্টগুলি ‘সিল’ করার কাজ শুরু হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ক্লাসরুমে মদের বোতল-চাট, ৩ দিন মালদহের স্কুলে দেদার মোচ্ছব পুলিশের]

ছাইয়ের ধোঁয়া টানলেই নেশা। সেই এক টিপ ছাইয়ের দাম হাজার সাতেক টাকা। বহু কলেজ ছাত্র ও প্রাক্তন ছাত্ররা চরসকে আদর করে ডাকে ‘চেরি’। এই চরস পাচার চক্রের ৬ মাথাকে গ্রেপ্তার করেছেন গোয়েন্দারা। তাদের মধ্যে দু’জন ম্যানেজমেন্ট ছাত্র। এই চক্রের এক বড় মাথা হিমাচল প্রদেশের কুলুর বাসিন্দা। গোয়েন্দারা জেনেছেন, কুলুর বেশ কিছু প্রত্যন্ত গ্রামে গাঁজা চাষ হয়। সেই গ্রামগুলিতেই রয়েছে চরস তৈরির কারখানা। সেখান থেকেই মাদক চক্রের এক মাথা প্রত্যেক মাসেই ট্রেনে করে নিয়ে আসত চরস। ওই ব্যক্তির সন্ধানে কুলু-সহ হিমাচল প্রদেশের বেশ কিছু জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে এনসিবি। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তিই মাদক পাচার করত সল্টলেকের দুই ম্যানেজমেন্টের ছাত্র রাহুল সিং ও রোহিত সিংকে।

রাহুল আসলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের বাসিন্দা। রোহিত থাকে পশ্চিম মেদিনীপুরে। তারা এক বা দু’কিলোর প্যাকেট নিয়ে দিত মনজির আখতার ওরফে সোনু নামে এক যুবককে। সোনু চক্রের হয়ে টাকা লেনদেনের বিষয়ও দেখত। সে এই চরস তুলে দিত চিরঞ্জীব কুমার ওরফে সত্য, দীনেশ কুমার ওরফে বিক্রম ও সুরেন্দ্রকুমার শাহ ওরফে রাজার হাতে। এই তিনজনই এই চরস পাচার করত কলকাতা ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন কলেজ, ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে। ধানবাদের রাহুলের গাড়িটিও ঝাড়খণ্ডের। সেটি করেও মাদক পাচার করা হত। গাড়িটিকে এনসিবি আটক করেছে। তিন পাচারকারী মাদকাসক্তদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা টাকা কলকাতা, দক্ষিণবঙ্গের জেলা ও ঝাড়খণ্ডের কয়েকটি জায়গায় রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিত।

ব্যাংকের লেনদেন দেখাশোনা করত মূলত সোনু। প্রায় ৪৫টি অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে মাদকের টাকা। কুলুর পাচারকারীকে দেওয়া হয়েছিল কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম কার্ড। হোয়াটসঅ্যাপে তাকে সোনু জানিয়ে দিত কোন ব্যাংকের কত টাকা এসেছে। সেইমতো হিমাচল প্রদেশ থেকেই ওই ব্যক্তি টাকা তুলে নিত। প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দারা জেনেছেন, মাদক পাচারের জন্যই বেশ কিছু নতুন অ্যাকাউন্ট বানায় পাচারকারীরা। আবার অনেক মাদকাসক্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করা হত। এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কোন সময় কত টাকা তোলা হয়েছে, গোয়েন্দারা তার তালিকা তৈরি করছেন। এর মধ্যে কোনও অ্যাকাউন্ট ভুয়ো কি না, তা-ও জানার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

[জিআই প্রাপ্তির সেলিব্রেশন, ২২ হাজার রসগোল্লায় উৎসব কীর্ণাহারে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.