অর্ণব আইচ: সিঙ্গাুপর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) ডায়সন বন্দরে যাওয়ার পথে মাঝ সমুদ্রে জাহাজ থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেলেন বাঁশদ্রোণীর (Bansdroni) এক ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু কোথায় গেলেন তিনি? ঠিক কী হয়েছিল তাঁর সঙ্গে? কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না পরিবারের সদস্যরা।
জানা গিয়েছে, বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা ওই ব্যক্তির নাম সম্বিত মজুমদার। লাইবেরিয়ান জাহাজ এমটি সেরেঙ্গার সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, বুধবার শেষবার সম্বিতবাবুকে কেবিনে দেখেছিলেন তাঁর সহকর্মীরা। কিন্তু প্রাতঃরাশ করতে আসেননি তিনি। এরপর দীর্ঘক্ষণ তাঁর হদিশ না পাওয়ায় কেবিনে খোঁজ করলে মেলে মোবাইল ফোনটি। কিন্তু আর দেখা মেলেনি সম্বিতবাবুর। এই খবর বাঁশদ্রোণীর বাড়িতে পৌঁছতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে পরিবারের সদস্যদের। তাঁর স্ত্রী অভিযোগের সুরে বলেন, স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর জাহাজের কারও তরফে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি তিনি। কেউ কথা বলতেও রাজি হননি।
[আরও পড়ুন: ৫ বছর নয়, লকডাউনের জেরে প্ল্যান পাস হওয়ার পর বাড়ি নির্মাণে বাড়তি সময় দিল পুরসভা]
সম্বিতবাবুর স্ত্রীর কথায়, মাঝ সমুদ্রে এক ব্যক্তি কীভাবে উধাও হতে পারেন? কেনই বা সেই ঘটনার পর কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও যথাযথ তদন্তের ব্যবস্থা করা হল না? ঠিক কী হয়েছে তাঁর স্বামীর সঙ্গে? এখন এই প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে মরিয়া তিনি। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি কলকাতা ছাড়ানে সম্বিত। ২৩ জুন দক্ষণি কোরিয়ার ডায়সন বন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল তার। কিন্তু তার আগেই এই ঘটনা।
[আরও পড়ুন: জুলাইয়ের শুরুতেই খুলছে কালীঘাট মন্দির, প্রবেশ করতে মানতে হবে একাধিক নিয়ম]
সর্বশেষ খবর
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের
-
তোলাবাজি থেকে যৌনহেনস্তা! ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে স্বরূপ বিশ্বাস, এজলাসে তুমুল হই হট্টগোল
-
কালীঘাটের বৈঠকে সেই ‘আদি’রাই, এলেন না ‘বিদ্রোহীরা’, দল বাঁচাতে পারবেন মমতা?
-
বিধানসভার পর ভাঙছে তৃণমূলের সংসদীয় দলও! প্রতীক-তহবিল কি হাতছাড়া হবে মমতার? জানুন নিয়ম