Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ছিনতাই

ব্যবসায়ী অপহরণ ও ছিনতাই কাণ্ডে এবার নাম জড়াল এক কনস্টেবলের

ধৃত এএসআইকে জেরা করে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯, ২১:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯, ২১:৩৬

options
link
ব্যবসায়ী অপহরণ ও ছিনতাই কাণ্ডে এবার নাম জড়াল এক কনস্টেবলের zoom

সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়:  ধৃত এএসআই আশিস চন্দ্রর পর এবার স্বর্ণব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের কাণ্ডে জড়িয়ে গেল কলকাতা পুলিশের আরও এক কনস্টেবলের নাম। ধৃত এএসআইকে মুচিপাড়া থানায় এনে টানা জেরার পর পুলিশ জানতে পারল, ওই কনস্টেবলও এই কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। এই তথ্য পাওয়ার পরই পলাতক ওই কনস্টেবলের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে মুচিপাড়া থানার পুলিশ। পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, ধৃত এএসআই আশিস ন’বছর আগেও শিয়ালদহ জিআরপি-র পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। এই ঘটনায় তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়েছিল। কিন্তু চাকরিতে ফিরে ফের কেন সে তিনি নদিয়ার স্বর্ণব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িয়ে পড়লেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না লালবাজারের কর্তারা। ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দাদের হাতে। চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে ধৃত ওই এএসআইকে।

[আরও পড়ুন: ফের পার্ক স্ট্রিটে শ্লীলতাহানি, ১০০-এ ফোন করে অভিযুক্তকে ধরিয়ে দিলেন তরুণী]

Advertisement

নদিয়ার স্বর্ণব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে ধৃত এএসআই আশিস শিয়ালদহ জিআরপি-র পুলিশের হাতে প্রথম গ্রেফতার হন। তাঁর বিরুদ্ধে ছিনতাই ও প্রতারণার মামলা দায়ের হয়। লালবাজারের এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, “ওই ঘটনায় আশিসকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।  টানা দু’বছর তাঁর বেতন বৃদ্ধি হয়নি। এমনকী ঘটনার বিভাগীয় তদন্তও হয়েছিল।” ওই কর্তা আরও জানান, “ধৃত এএসআই আশিসের মুখ থেকেই বেরিয়ে আসে অভিযুক্ত ওই কনস্টেবলের নাম। টানা দু’মাস ধরে ওই কনস্টেবল অফিসেও আসছেন না। কলকাতা পুলিশের ওই কনস্টেবলের সন্ধানে শুরু হয়েছে তল্লাশি।” গ্রেফতার হওয়া আশিসের বন্ধু বলাই সরকার ওরফে দিলীপের বাড়ি দমদমে। ধৃতরা সকলেই দমদম, বারাসত অঞ্চলের।

উল্লেখ্য, নদিয়ার সোনার ব্যবসায়ী বাবলু নাথকে প্রথমে অপহরণ ও পরে তাঁর কাছ থেকে আড়াই লক্ষ টাকার সোনাদানা ও নগদ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কলকাতা পুলিশের এক এএসআই-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত এএসআই আশিস চন্দ্রকে বেলঘরিয়ার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি যে টাটা সুমো করে ওই ব্যবসায়ীকে অপহরণ করা হয়েছিল, তার চালক নেপালচন্দ্র ধর এবং ধৃত এএসআই আশিসের বন্ধু বলাইকেও গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের দফার দফায় জেরা করে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

[আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে মগ্ন কর্মীরা, হাসপাতাল থেকে গায়েব রোগীর কাটা আঙুল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.