Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
করোনা

ফের অমানবিক কলকাতা! করোনায় মৃত চিনা বৃদ্ধের দেহ দীর্ঘক্ষণ পড়ে রইল বাড়িতে

কেন বারবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি? উঠছে প্রশ্ন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২০, ১৫:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২০, ১৫:০৫

options
link
ফের অমানবিক কলকাতা! করোনায় মৃত চিনা বৃদ্ধের দেহ দীর্ঘক্ষণ পড়ে রইল বাড়িতে zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: ২৪ ঘণ্টা পেরনোর আগেই শহর কলকাতায় (Kolkata) ফের বেহালা কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি। মৃত্যুর পর দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও বাড়িতেই পড়ে রইল করোনায় (Corona Virus) মৃতের দেহ। পুলিশ-প্রশাসন-স্বাস্থ্যভবনকে জানিয়েও দীর্ঘক্ষণ কোনও ফল মেলেনি বলেই অভিযোগ পরিবারের। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, পুলিশ-পুরসভার তরফে উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনও বাড়িতেই রয়েছে দেহ।

জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল মঠেশ্বর তলা রোডের বাসিন্দা চিনা বংশোদ্ভুত ওই ভারতীয় নাগরিকের। স্বাভাবিকভাবেই ৬৩ বছরের ওই বৃদ্ধ হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। এরপরই যু্দ্ধ শুরু পরিবারের। স্বাস্থ্যভবনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে বেশ কয়েকবার ব্যর্থ হন তাঁরা। পরে যোগাযোগ সম্ভব হলে ডেথ সার্টিফিকেটের দাবি জানানো হয় স্বাস্থ্যভবনের তরফে। তা না থাকায় শুরু হয় গড়িমসি। এরপর খবর যায় পুলিশে। দীর্ঘক্ষণ পুলিশ-পুরসভা-স্বাস্থ্যভবনের টানাপোড়েনের পর অবশেষে দুপুর নাগাদ দেহ উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়রা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনার বলি এবার সরকারি হাসপাতালের নার্স, ১০দিন লড়াইয়ের পর মৃত্যু SSKM’এর সেবিকার]

প্রসঙ্গত, সোমবারও কার্যত একই ঘটনা ঘটেছিল শহর কলকাতার বুকে। বেহালার (Behala) সাহাপুরের (Sahapur) এক পরিবারের ৫ সদস্যই করোনা আক্রান্ত হন। বাড়িতেই ছিলেন তাঁরা। রবিবার রাত ১২ টা নাগাদ ওই পরিবারের সদস্য বছর ৬২-এর এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। অভিযোগ, রাত থেকে একাধিকবার চেষ্টা করেও পুলিশ-স্বাস্থ্যভবন কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। এই পরিস্থিতিতেই কেটে যায় রাত। সোমবার সকালে কোনওক্রমে গোটা ঘটনাটি প্রতিবেশীদের জানান মৃতের পরিজনরা। সহযোগিতা চান। এরপর স্থানীয়রাই খবর দেয় পুলিশে। দীর্ঘক্ষণ পর সোমবার বেলা ৩ টে নাগাদ পুলিশ ও স্বাস্থ্যভবনের আধিকারিকরা গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে।

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে রাতারাতি গুরুত্বপূর্ণ বদল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে, অপসারিত অধ্যক্ষ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.