২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইকো পার্কের জলাশয়ে ডুবে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাল নিহতের পরিবার। এই ঘটনায় হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেন এবং ওই পার্কের নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিলেন শিশুর পরিজনেরা। ইতিমধ্যেই নিউটাউন থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন তাঁরা। এদিকে, এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

৬৯ তালতলা রোডের বাসিন্দা শেখ আকবরের একমাত্র সন্তান শেখ আবেজ। বছর চারেকের ওই শিশুকে নিয়ে শনিবার বিকেল তিনটে চল্লিশ নাগাদ ইকো পার্কে যান আবেজের মা এবং তাঁদের দুই প্রতিবেশী। আবেজের টানাটানিতে চিলড্রেনস পার্কে ঢোকেন তাঁরা। তবে আধঘণ্টা পরই নিখোঁজ হয়ে যায় খুদে। খোঁজাখুঁজি শুরু করেন আবেজের মা এবং প্রতিবেশীরা। তাঁরা ওই একরত্তিকে খুঁজে পাননি। নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে গিয়ে শিশু নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে বলেই জানান তাঁরা। নিরাপত্তারক্ষীরা শিশুকে খুঁজতে শুরু করেন। তবে তাঁকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে ইকো পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং নিউটাউন থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে চারটে থেকে ডুবুরি নামিয়ে পার্ক সংলগ্ন জলাশয়ে শিশুর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর জলাশয় থেকে একরত্তির নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই জলাশয়ের চারপাশে রয়েছে ঘাস। জলাশয়ের উপর ছোট ছোট কচুরিপানায় ঢাকা। তাই যে কেউ ওই জলাশয়কে মাঠ বলে ভুল করে। আবেজও তাই ভেবেছিল। তাই সে জলাশয়ের দিকে চলে যায়। ছোট ছোট শিশুরা যেখানে যাতায়াত করে সেখানে এমন জলাশয়ে কেন পরিখার ব্যবস্থা করা হল না, প্রশ্ন নিহতের পরিবারের। এই ঘটনার পর যদিও নড়েচড়ে বসেছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই ওই জলাশয়টি জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: অবস্থা স্থিতিশীল, চিকিৎসার জন্য কলকাতার পথে মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ]

পার্ক কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রায় সকলেই। ইতিমধ্যে আবেজের পরিজনেরা এই ঘটনায় হিডকো চেয়ারম্যান এবং পার্কের নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে নিউটাউন থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন। এদিকে, পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এই ঘটনায় হিডকো চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “জলাশয় বুজিয়ে কিছু করা যায় না। তাই জলাশয়টিকেও বোজানো হয়নি। তবে প্রশ্ন একটাই কীভাবে বাবা, মা, এত মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে জলাশয়ে ডুবে মৃত্যু হল শিশুর। ঘটনার তদন্ত করা প্রয়োজন।” তদন্তের পরই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং