BREAKING NEWS

২৯ শ্রাবণ  ১৪২৭  শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

খাস কলকাতায় প্রমোটারের ‘দাদাগিরি’, ভিতরে বাসিন্দাদের রেখেই শুরু বাড়ি ভাঙার কাজ

Published by: Sayani Sen |    Posted: July 4, 2020 2:47 pm|    Updated: July 4, 2020 2:50 pm

An Images

ফাইল ছবি

অর্ণব আইচ: পুরনো বাড়ি ছেড়ে যাব না, বলেছিলেন বাড়ির বাসিন্দারা। অভিযোগ, সেই ক্ষোভেই পরিবারের সদস্যদের বাড়ির ভিতরে রেখে জেসিবি মেশিন দিয়ে বাড়ি ভাঙতে শুরু করেন প্রমোটার। তাতে পরিবারটির প্রাণ সংশয় হয়। উত্তর কলকাতায় সিঁথি এলাকায় ঘটল এই ঘটনা। এক প্রমোটার দম্পতির বিরুদ্ধে সিঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় প্রমোটার সুমন্ত চৌধুরিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকার কালীচরণ ঘোষ রোডে একটি বাড়িকে ঘিরে যাবতীয় গোলমালের সূত্রপাত। প্রমোটার বাড়ি তৈরি করার জন্য বাড়িটি মালিকের কাছ থেকে নিয়ে নেন। অন্যান্য বাসিন্দারা ক্রমে উঠে গেলেও পুরনো বাড়ি আঁকড়ে ধরে থাকছিল একটি পরিবার। অভিযোগ, বিভিন্নভাবে প্রমোটার পরিবারটিকে বের করার চেষ্টা করেন। বাসিন্দা সৌমেন বড়ুয়ার অভিযোগ, তিনি ছাড়াও বাড়িতে ছিলেন তাঁর বৃদ্ধা মা ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ভাই। যেহেতু তাঁরা বেরোননি তাই বাড়ির ভেতরে থাকা সত্ত্বেও ভাঙার কাজ শুরু করেন প্রমোটার। জেসিবি মেশিন দিয়ে বাড়ির সামনের অংশ ভেঙেও ফেলেন। কান্নাকাটি ও চিৎকার শুরু করেন ওই পরিবারের সদস্যরা। এলাকার বাসিন্দারা চলে আসেন। বেগতিক বুঝে তখনকার মতো কাজ বন্ধ করেন প্রমোটার।

[আরও পড়ুন: নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, বাঘাযতীন ফ্লাইওভারের নির্মাণ সংস্থাকে কড়া শাস্তি দিচ্ছে রাজ্য]

সৌমেনবাবুর আরও অভিযোগ, এভাবে বাড়ি ভেঙে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তাঁদের আটকে রেখে মেরে ফেলার চক্রান্ত হচ্ছিল। বাড়ির সামনের অংশে সৌমেনবাবুর দোকানও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এই বিষয়ে প্রমোটার ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। তারপরই প্রমোটারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন ওই প্রমোটর। পুলিশের কাছে তাঁর দাবি, অভিযোগকারীরা বাড়ির পিছনের দিকে থাকেন। তাঁরা সামনের দিকে ভাঙার কাজ করছিলেন। ফলে তাঁদের হত্যা করার চক্রান্তের অভিযোগ মিথ্যে। ধৃত প্রমোটরকে জেরা করে ঘটনার কিনারা করার চেষ্টা চলছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: রাজ্য প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ রদবদল, সচিবদের দায়িত্ব বদলের নির্দেশিকা জারি নবান্নের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement