Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

চিকিৎসার স্বার্থে দুবাই যেতে চান, ইডির নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে অভিষেক

জরুরি ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরেই শুনানি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২২, ১৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২২, ১৫:৪৭

options
link
চিকিৎসার স্বার্থে দুবাই যেতে চান, ইডির নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে অভিষেক zoom
Advertisement

গোবিন্দ রায়: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিদেশযাত্রার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল সাংসদ। আজই জরুরি ভিত্তিতে বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর এজলাসে দুপুর দু’টোয় অভিষেকের আরজির শুনানি।

সড়ক দুর্ঘটনায় চোখে চোট পেয়েছিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চোখের চিকিৎসা করতে তাঁকে বিদেশে অর্থাৎ দুবাই যেতে হয়। কিন্তু ইডি নোটিস দিয়ে জানিয়েছে, আপাতত অভিষেকের বিদেশ যাওয়া চলবে না। সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল নেতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সিবিআই তলবে সাড়া, সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছলেন অনুব্রত মণ্ডল]

জুন মাসে চোখের চিকিৎসা করাতে বিদেশ যাওয়ার কথা অভিষেকের। তাই ইডিকে ৩-১০ জুন বাদ দিয়ে অন্যদিন তাঁকে হাজিরার জন্য ডাকার আরজি জানিয়েছিলেন। কিন্তু অভিষেকের দাবি, তাঁকে দেশের বাইরে যেতে দেওয়ায় আপত্তি তুলেছে ইডি। এ প্রসঙ্গে তাঁর আইনজীবী জানান, এমনিতেই তাঁর চোখের সমস্যা রয়েছে। তাই চিকিৎসা করাতে দুবাইয়ে যেতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু ইডি জানায়, অভিষেকের বিদেশযাত্রায় আপত্তি রয়েছে তাদের। এর পরই উপায়ান্তর না দেখে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। আজই শুনানি হবে তাঁর আরজির। 

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। দিল্লিতে নয়, চাইলে কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কলকাতায় এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন ইডির আধিকারিকরা। এমনই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এদিন শীর্ষ আদালত দিল্লি হাই কোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে। তবে সাংসদ এবং তাঁর স্ত্রীকে তদন্তে সমস্ত সহযোগিতার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। রাজ্য প্রশাসনকেও সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। 

[আরও পড়ুন: ‘চক্রান্ত করে কেকে’কে মেরে ফেলা হয়েছে’, বিস্ফোরক দিলীপ, পালটা দিল তৃণমূল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.