Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

ফলপ্রকাশের রাতে মৃত্যু দলীয় কর্মীর, ২৬ দিন পর বেলেঘাটার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ অভিষেকের

শনিবার দুপুরে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে নিয়ে ওই কর্মীর বাড়িতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ১৬:০৬

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ১৬:০৬

options
link
ফলপ্রকাশের রাতে মৃত্যু দলীয় কর্মীর, ২৬ দিন পর বেলেঘাটার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ অভিষেকের zoom
ফলপ্রকাশের ২৬ দিন পর নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব ছবি
Advertisement

গত ৪ মে রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশিত হয়েছে। ২০৮ আসন পেয়ে বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে। তুলনায় তৃণমূল কংগ্রেসের ফলাফল বেশ খারাপ – মাত্র ৮০ টি আসন এসেছে তাদের ঝুলিতে। ওইদিন রাতেই আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল কর্মী বিশ্বজিৎ পট্টনায়েক। ঠিক ২৬ দিন পর তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতেই তাঁদের সঙ্গে দেখা করলেন অভিষেক। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের সমস্যার কথাও শোনেন। ন্যায়ের লড়াইয়ে সমস্ত আইনি সহায়তা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে প্রশ্ন উঠছেই, নিহত দলীয় কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে কেন ২৬ দিন সময় নিলেন অভিষেক?

দলীয় বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতে গিয়ে বিশ্বজিৎ পট্টনায়েকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে অভিষেক অভিযোগ করেন, ‘‘শুনলাম আমাদের কর্মীদের বাড়িতে বিজেপির লোকজন ধমক-চমক দিচ্ছে। এই যে আজ যাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করলাম, সেই বিশ্বজিৎ পট্টনায়েকের পরিবারকেও ওরা হুমকি দিয়েছে। ক্ষমতায় এসেই এসব চলছে। কিন্তু আমরা পথে আছি। কর্মীদের পাশে আছি।”

নিহতের পরিবারের সদস্যকে ভরসা দিলেন অভিষেক। নিজস্ব ছবি

ভোটের ফলপ্রকাশের রাতে বিশ্বজিৎকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সকালে বাড়ির সামনে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এটাই ভোট পরবর্তী হিংসার প্রথম ঘটনা বলে দাবি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও পরে নতুন রাজ্য সরকার জানায়, বিশ্বজিতের ঘটনা আত্মহত্যা, কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়। শুধু বেলেঘাটার বিশ্বজিৎই নন, জেলায় জেলায় বহু তৃণমূল কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন, পার্টি অফিস ভাঙচুর হয়েছে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বার্তা দেন, দলের দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হবে। কিন্তু দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ২৬ দিন পর বাইরে বেরলেন কেন? এতদিন কেন ঘরে ছিলেন? সেই প্রশ্ন তুলেছেন দলেরই একাংশ।

Advertisement
ভোটের ফলপ্রকাশের রাতেই মৃত্যু হয়েছিল বেলেঘাটার দলীয় কর্মী বিশ্বজিৎ পট্টনায়েকের। নিজস্ব ছবি

সেসব সমালোচনা মাথায় করেই অভিষেক শনিবার যান বেলেঘাটায়। দলীয় বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতে গিয়ে বিশ্বজিৎ পট্টনায়েকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে অভিষেক অভিযোগ করেন, ‘‘শুনলাম আমাদের কর্মীদের বাড়িতে বিজেপির লোকজন ধমক-চমক দিচ্ছে। এই যে আজ যাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করলাম, সেই বিশ্বজিৎ পট্টনায়েকের পরিবারকেও ওরা হুমকি দিয়েছে। ক্ষমতায় এসেই এসব চলছে। কিন্তু আমরা পথে আছি। কর্মীদের পাশে আছি।” তাঁর এই প্রতিক্রিয়ার পর ফের সেই প্রশ্নই উঠছে, হারের পর আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে ২৬ দিন সময় লাগল!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.