BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অভিষেকের অস্ত্রোপচার সফল

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: October 25, 2016 3:47 pm|    Updated: September 10, 2020 1:46 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: জখম চোখের ‘অরবিট ফ্লোর’-এ সফল অস্ত্রোপচার হল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ পোশাকি নাম হিসাবে যাকে বলা হয়, অরবিট ফ্লোর রিপেয়ারিং৷ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে বারোটার পর শুরু হয় অপারেশন৷ দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময় ধরে চলে অপারেশন৷ অস্ত্রোপচারের সময় পর্যবেক্ষণে ছিলেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সুকুমার মুখোপাধ্যায়৷

মোট ১২ জন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের টিমের মূল অপারেশনটির দায়িত্বে ছিলেন অরবিট বিশেষজ্ঞ সার্জন অনির্বাণ ভাদুড়ি৷ ছিলেন ম্যাক্সিলো ফেসিয়াল সার্জেন অমিত রায়, কমলেশ্বর কোঠারি৷ প্লাস্টিক সার্জনের মধ্যে ছিলেন নামী চিকিৎসক রাজেন ট্যান্ডন৷ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মনতোষ পাঁজা ও এসবি রায়-ও টিমে ছিলেন৷ এছাড়াও টিমে চক্ষু বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও জয়াংশু সেনগুপ্ত৷ তাপস সেনগুপ্ত সহ দুই অ্যানাস্থেসিস্টও অপারেশনে অংশ নেন৷ শেষ মুহূর্তে একজন নিউরো বিশেষজ্ঞকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে৷

দুর্ঘটনায় ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অরবিটাল ফ্লোরে চোট পান৷ বাঁ চোখের নিচে চোট রয়েছে৷ ভেঙেছে চোখের মণির নিচের অংশ৷ চোয়ালেও গুরুতর চোট ছিল৷ সবদিক খতিয়ে দেখেই বিশেষজ্ঞরা অপারেশনের সোমবার রাতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷ ম্যাক্সিলো ফেসিয়াল বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন৷ মূল অপারেশনের আগে পাল্স রেট ও হার্ট বিট মেপে দেখা হয়৷ প্রথমে অরবিট বোনের অপারেশন হয়৷ এরপরই ম্যাক্সিলো ফেসিয়াল অপারেশন হয়৷ চিকিৎসকদের মত, বাঁ চোখের মণির নিচের অংশ বা অরবিটাল ফ্লোর ভাঙায় মেরামত করা অত্যন্ত সূক্ষ্ম ব্যাপার৷ মুখের আঘাতে কোনও হাড় ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাক্সিলো ফেসিয়াল সার্জারি করা হয়৷ এই ক্ষেত্রে তাই এরকম দুই সার্জন দলে ছিলেন৷

মূলত টাইটেনিয়াম প্লেট বসানোই বড় কাজ৷ সেই কাজ করতে গিয়ে অপটিক স্নায়ু যাতে কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তাই সব ধরনের সার্জনদের টিমে নেওয়া হয়েছে৷ সার্জারির সময় কোনও ক্ষত হলে যাতে দ্রুত মেরামত করা যায়, তাই প্লাস্টিক সার্জনদেরও রাখা হয়েছিল৷ গতকালও অভিষেকের গায়ে সামান্য জ্বর ছিল৷ ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ‘নেবুলাইজেশন’ করা হয়েছে৷ পুনরায় এমআরআই-ও করা হয়েছে৷ গতকালই নার্সিংহোম সূত্রে জানানো হয়, নাড়ির স্পন্দন স্থিতিশীল হয়েছে৷

অভিষেকের দ্রূত আরোগ্য কামনায় ইতিমধ্যে পুরীতে যেমন যজ্ঞ করা হয়েছে, বিশেষ প্রার্থনা হয়েছে রাজ্যের একাধিক মসজিদে৷ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে দেশের একাধিক মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে অভিষেকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন৷ এদিনও ফোন করেছেন বিশিষ্টরা৷ অভিষেকের অপারেশনের সময় বেলভিউ নার্সিংহোমে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা এবং রাজ্যের মন্ত্রী-সাংসদ-বিধায়করাও৷ নার্সিংহোমের বাইরে সকাল থেকেই হাজার খানেক তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ও সাংসদের অনুগামীরা ভিড় করেছিলেন৷ পুলিশি নিরাপত্তাও ছিল বেশ কড়া৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement