Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Congress

বিজেপিই মূল শত্রু! রাজ্যে কংগ্রেসের আসনভিত্তিক শক্তি যাচাই করতে বলল AICC

রাজ্যকে সাংগঠনিকভাবে পাঁচটি জোনে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক বিধানসভা থেকে ৩ জন করে প্রার্থীর নাম চাওয়া হয়েছে। জেলা, ব্লক, এমনকী প্রদেশের নানা কমিটির কোনও সদস্যও যদি প্রার্থী হতে চান, তাঁরও নাম পাঠানো যেতে পারে।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৩:৪৪

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৩:৪৪

options
link
বিজেপিই মূল শত্রু! রাজ্যে কংগ্রেসের আসনভিত্তিক শক্তি যাচাই করতে বলল AICC zoom
প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে নির্বাচনী কমিটির বৈঠক এআইসিসির। রবিবার বিধানভবনে।

বাংলায় কোন কোন আসনে দলের সাংগঠনিক ভিত কত মজবুত, কোনও আসনে জয়ের সম্ভাবনা থাকলে তা-ই বা কতটা, তা খতিয়ে দেখতে এবার জেলায় জেলায় ‘স্ক্রিনিংয়ে’ যাবে প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) নেতৃত্ব। রবিবার প্রদেশ দপ্তর কলকাতার বিধান ভবনে টানা দু’ঘণ্টার বৈঠকে এ নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। যে বৈঠকে ‘বিজেপি আর আরএসএস’কে আবারও রাজ্যে ‘দলের মূল শত্রু’ চিহ্নিত করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, “লড়াই অনেক গভীরে নেমে করতে হবে, যা খুব কঠিন। তার জন্য প্রস্তুত হোন।” এর প্রেক্ষিতেই আজ, সোমবার দু’দফায় ম্যারাথন বৈঠকে বসছে প্রদেশ নেতৃত্ব।

রবিবার প্রদেশ নির্বাচনী কমিটির এই প্রথম বৈঠকে প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ছাড়াও যোগ দিয়েছিলেন এআইএসিসি কেন্দ্রীয় স্ক্রিনিং কমিটির চেয়ারম্যান তথা কর্নাটকের বিধান পরিষদের সদস্য বি কে হরিপ্রসাদ, কমিটির এআইসিসি পর্যবেক্ষক সাংসদ মহম্মদ জাভেদ, রাজ্যে কংগ্রেস পর্যবেক্ষক গোলাম মীর, ওয়াররুম কমিটির চেয়ারম্যান বি পি সিং, বিশেষ পর্যবেক্ষক ঝাড়খণ্ডের বিধায়ক মমতা দেবী, এআইসিসি সম্পাদক অম্বা প্রসাদ, রাজ্যে দলের একমাত্র সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য প্রমুখ। সূত্রের খবর, স্ক্রিনিং কমিটির চেয়ারম্যান বি কে হরিপ্রসাদ এই বৈঠকেই স্পষ্ট বলেছেন, “আমাদের মূল শত্রু বিজেপি আর আরএসএস। এদের বিরুদ্ধে লড়াই অনেক কঠিন। সেই লড়াই গ্রামে গ্রামে প্রত্যন্ত এলাকার গভীরে গিয়ে করতে হবে। তার জন্য তৈরি হোন।”

Advertisement

জানা গিয়েছে, বৈঠকে দিল্লির নেতৃত্ব পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে এআইসিসি রাজ্যে দলীয় সংগঠনের শক্তি পরখ করে নিতে চাইছে। এর আগেই দলীয় নেতৃত্ব তার রিপোর্ট পাঠিয়েছে। এবার বাস্তব ছবিটা বুঝে নিতে চায় তারা। তার জন্য রাজ্যকে সাংগঠনিকভাবে পাঁচটি জোনে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক বিধানসভা থেকে ৩ জন করে প্রার্থীর নাম চাওয়া হয়েছে। জেলা, ব্লক, এমনকী প্রদেশের নানা কমিটির কোনও সদস্যও যদি প্রার্থী হতে চান, তাঁরও নাম পাঠানো যেতে পারে।এর পর রাজ্যের নির্বাচনী কমিটি, স্ক্রিনিং কমিটি ও জেলায় জেলায় নিযুক্ত পর্যবেক্ষকদের বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর প্রাথমিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে এই কমিটির সদস্যরা একেবারে মাটিতে নেমে দেখবেন দাবি অনুযায়ী কোথায় কোন প্রার্থীর পরিচিতি, তার সংগঠনের ভিত আদৌ কতটা মজবুত। সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে এআইসিসি।

জোট নিয়ে আবারও এদিনের বৈঠকে বলে দেওয়া হয়েছে, এআইসিসির উপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়ে সংগঠন মজবুত করায় মন দিতে। সূত্রের খবর, মীর বলেছেন, “নিজেদের নিজেরা পরখ করুন। নিজেদের শক্তি যাচাই করুন, নিজেদের কেন্দ্রে ভিত মজবুত করুন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.