Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kasba Case

কসবার নির্যাতিতার পাশে থাকার আশ্বাস শশীর, বিজেপিকে ব্রিজভূষণ-সিপিএমকে তাপসীর কথা মনে করালেন কুণাল

কার্তিক মহারাজের গ্রেপ্তারির দাবি জানান কুণাল ঘোষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৫, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৫, ১৯:৫৩

options
link
কসবার নির্যাতিতার পাশে থাকার আশ্বাস শশীর, বিজেপিকে ব্রিজভূষণ-সিপিএমকে তাপসীর কথা মনে করালেন কুণাল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খাস কলকাতার আইন কলেজের ছাত্রীর গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে গর্জে উঠল তৃণমূল। নির্যাতিতার পাশে থাকার আশ্বাস রাজ্যের শাসক শিবিরের নেতানেত্রীদের। কেন এখনও অপরাজিতা বিলে সই করলেন না রাষ্ট্রপতি, সাংবাদিক বৈঠক করে সে প্রশ্ন তুললেন শশী পাঁজা। গণধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধ নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগে বিজেপিকে ব্রিজভূষণ এবং সিপিএমকে তাপসী মালিকের কথা মনে করালেন কুণাল ঘোষ।

শশী পাঁজা বলেন, “সমবেদনা জানানোর ভাষা নেই। আইন ছাত্রীর উপর যারা বর্বর ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের জেলে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতিতার পাশে আছি।” বিরোধীদের খোঁচা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “অপরাধ হবে আর তা নিয়ে রাজনীতি হবে, এটা চলতে পারে না। যারা রাজনীতিতে দেউলিয়া তারা বিভিন্ন ব্যাখ্যা করছে। সোশাল মিডিয়ায় কাটাছেঁড়া চলছে। তাঁদের কাছে আমার একটাই বক্তব্য, অপরাজিতা বিল বিধানসভায় ১০ মাস আগে পাশ হয়ে গিয়েছে। মানুষ দ্বারা নির্বাচিত বিধায়করা তাতে সায় দিয়েছেন। ওই বিল কে আটকে রেখেছে? রাজনীতি করার আগে উত্তর দিক বিজেপি। রাস্তায় বাঁদরামো করবেন না। তার চেয়ে বিল আগে পাশ করানোর চেষ্টা করুন। মহিলার শরীর রাজনৈতিক যুদ্ধের জন্য নয়। তা সম্মান করার।”

Advertisement

উল্লেখ্য, আগস্টে আর জি করের ঘটনার পর সেপ্টেম্বরেই বিধানসভায় ‘অপরাজিতা উইমেন অ্যান্ড চাইল্ড (ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল’ অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৪’ পেশ করে শাসকপক্ষ। নারী নিরাপত্তার মতো গুরুতর বিষয় হওয়ায় বিজেপিও এই বিলের বিরোধিতা করেনি। সর্বসম্মতি বিলটি পাশ হয়ে যায়। বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো নারীবিরোধী অপরাধের দ্রুত তদন্ত, দ্রুত ন্যায়বিচার এবং কঠোরতম শাস্তি – এই তিনটির পক্ষে দ্রুত সওয়াল করা হয়েছে। ২১ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে ৩০ দিনের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে প্রাণদণ্ড এবং ন্যূনতম সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে এই বিলে। এটি বিধানসভায় পাশ করা হলেও রাষ্ট্রপতি সই না করায় তা আইনে পরিণত করা যায়নি।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কসবা কাণ্ডে (Kasba Case) ফুঁসে ওঠেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “কে বা কারা করছে বড় কথা নয়, অভিযুক্তরা কোন দলের তা বড় কথা নয়, এদের চামড়া তুলে দেওয়া উচিত। পুলিশকে অনুরোধ করছি সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করুন। এসব জানোয়ারকে ছেড়ে রাখা যায় না, যাবে না।” কসবার নির্যাতিতার পাশে থাকার আশ্বাস শশীর, বিজেপিকে ব্রিজভূষণ-সিপিএমকে তাপসীর কথা মনে করান কুণাল। এছাড়া চাকরির বিনিময়ে সহবাস, জোর করে গর্ভপাতের অভিযোগ ওঠা পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজের গ্রেপ্তারির দাবি জানান তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.