Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৮ জুন ২০২৬
Student election

ছাত্রভোটে লড়ুক সব দল, প্রয়োজনে আইনে বদল আনতে চায় রাজ্য

সব রাজনৈতিক দল নিয়ে বৈঠকের ভাবনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৩, ১৪:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৩, ১৪:৩৯

options
link
ছাত্রভোটে লড়ুক সব দল, প্রয়োজনে আইনে বদল আনতে চায় রাজ্য zoom

স্টাফ রিপোর্টার: ছাত্রভোটে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি যাতে অংশ নেয় তার জন‌্য প্রয়োজনে আইনে বদল আনতে চায় রাজ‌্য সরকার। একইসঙ্গে ছাত্রভোটকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অশান্তি না হয় তাও নিশ্চিত করা হবে বলে বৃহস্পতিবার জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত‌্য বসু। মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায় ঘোষণা করেছেন, পুজোর পরে ছাত্রভোট হবে বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ‌্যালয়ে। ব্রাত‌্যবাবুর বক্তব‌্য, “মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ২০১৭ সালের একটা আইন বিধানসভায় পাশ করানো আছে।  সেটা হচ্ছে, বিভিন্ন কমিশনের সুপারিশ মেনে ‘সিম্বললেস’ নির্বাচন। 

মুখ্যমন্ত্রী বা আমাদের দল এখন সেটা চাইছে না। দল চাইছে, সমস্ত দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এবং দলগতভাবেই লড়ুক। সেক্ষেত্রে আগে আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে। আমরা বিলটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিধানসভায় আনব।” পুজোর পর বিধানসভায় বিলটি সংশোধনাকারে আনার বিষয়েও জানান ব্রাত‌্য। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ছাত্রভোটে সবক’টি রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকও করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন‌্যদিকে বিশ্ববিদ‌্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সে প্রসঙ্গে ব্রাত‌্য জানিয়েছেন, আচার্যের উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের দিকেই তাকিয়ে রাজ্য। রাজ্যপালের ‘অতিসক্রিয়তা’র বিরুদ্ধে কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে ওমপ্রকাশ মিশ্র-সহ প্রাক্তন উপাচার্য ও কয়েকজন শিক্ষা আধিকারিককে নিয়ে তৈরি শিক্ষাবিদদের ফোরাম। 

[আরও পড়ুন: ফুটবল ফাটিয়ে ফেলার ‘শাস্তি’, ৪৫ জন পড়ুয়াকে দু’দিন খেতে দিল না আবাসিক স্কুল!]

সেখানেই রাজ্য সরকারের তরফে আরও কড়াভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা দরকার বলে মত প্রকাশ করেন শিক্ষাবিদরা। তার প্রেক্ষিতেই শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কড়া বা নমনীয় হওয়ার বিষয় নয়। আমরা নীতিগতভাবে আইনসঙ্গতভাবে এগোতে চাই। আইনসঙ্গতভাবে আমরা যতটা করতে পারি ততদূর যাব। সেটা কড়া হলে কড়া, নরম হলে নরম। আমরা আইনের দিকেই তাকিয়ে থাকব।”

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য নিযুক্ত অধ্যাপক একটি সংস্থাকে সার্টিফিকেট দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সংস্থা পড়ুয়াদের বাবা, ঠাকুরদার নামে সার্টিফিকেট ইস্যু করছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “যিনি উপাচার্য নিয়োগ করেছেন, যে নিয়োগে যথেচ্ছাচার এবং এক ধরনের মাৎস‌্যন্যায় দেখা যাচ্ছে, তাঁকে প্রশ্ন করা উচিত।” চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বাস দিয়ে ব্রাত্য বলেন, “আইনি জট ছাড়ার মুখে। আশা করছি দ্রুত আমরা চাকরি দিতে পারব। আপনারা অনেক ধৈর্য ধরেছেন। সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে।’’

[আরও পড়ুন: সোনার বিগ্রহ বিক্রির নামে ‘প্রতারণা’, নাটকীয় কায়দায় আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার চক্রের মূল পাণ্ডা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.