Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
দুর্গাপুজো

অপচয় বন্ধে ‘মন্ত্র’ পুরোহিতদের, প্রাকৃতিক জলেই হবে দুর্গাপুজোর সমস্ত কাজ

কলের জল নষ্ট করে পুজোর কোনও কাজ নয়, সিদ্ধান্ত পুরোহিত সংগঠনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০১৯, ১১:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০১৯, ১১:২৯

options
link
অপচয় বন্ধে ‘মন্ত্র’ পুরোহিতদের, প্রাকৃতিক জলেই হবে দুর্গাপুজোর সমস্ত কাজ zoom

গৌতম ব্রহ্ম: কলের জলে আর কলাবউ স্নান নয়। পুজোর সামগ্রী ধোয়া যাবে না ভূগর্ভের জলে। নদী, পুকুর ও বৃষ্টিধরা জলই কাজে লাগানো হবে এবারের দুর্গাপুজোয়। এমনই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল বাংলার পুরোহিতকুল। কলাবউ স্নান করানো ও পুজোর সামগ্রী ধোয়ায় প্রচুর ভূগর্ভস্থ জল ‘নষ্ট’ হয়। এই জলের খরচে রাশ টানতে চান পুরোহিতরা। তাঁদের মত, শাস্ত্র অনুযায়ী কলাবউকে নদী, পুকুর বা প্রাকৃতিক জলে স্নান করানোই রীতি। কিন্তু অনেক পুজো কমিটি এখন দূষণ এড়াতে কলের জলেই স্নান করানোর পক্ষে। সরবরাহ প্রচুর বলে জল অপচয় হবে, এটা ঠিক নয়। বরং, কলাবউ স্নানের সময় নদী বা পুকুর থেকে যথাসম্ভব বেশি করে জল নিয়ে আসতে হবে। তাতেই পুজোর কাজ হবে।

[আরও পড়ুন: কাঠের গুঁড়ো দিয়েই প্রতিমা, বারুইপুরের শিল্পীর হাতের কাজ বিশ্ববাংলা বিপণীতে]

আগামী ৩০ আগস্ট রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রিটের মানিকতলা টোল নবগ্রহ মন্দিরে পুরোহিতদের নিয়ে তিনদিনের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করেছে ‘বৈদিক পণ্ডিত ও পুরোহিত মহামিলন কেন্দ্র’। সংগঠনের সভাপতি পণ্ডিত নিতাই চক্রবর্তী জানালেন, প্রতি বছরই দুর্গাপুজোর আগে পুরোহিতদের জন্য প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন হয়। শুদ্ধাচার মেনে পুজোর পদ্ধতি, মন্ত্রোচ্চারণ শেখানো হয়। এবার জল অপচয় নিয়ে ১ সেপ্টেম্বর পুরোহিতদের সতর্ক করা হবে। আর পুরোহিতরা সাবধান করবেন পুজোকর্তাদের। পুজোর জোগাড়যন্ত্র শেখার জন্য বহু পুজো কমিটি মহিলা সদস্যদের নিতাইবাবুর পাঠশালায় পাঠায়। তাঁদেরও জলের অপচয় কম করার আহ্বান জানানো হবে। নিতাইবাবু বলছেন, হিন্দুশাস্ত্রে গঙ্গাজলকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মানা হয়। তাই গঙ্গাজলে পুজোর বাসন বা ফলমূল ধোয়া হলে কোনও সমস্যা হবে না।
পুরোহিতদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব’–এর সম্পাদক শাশ্বত বসু। তাঁর মতে, এর থেকে ভাল উদ্যোগ আর কী হতে পারে? পুজো কর্তারা নিশ্চয়ই পুরোহিতদের ডাকে সাড়া দিয়ে জলের অপচয় কমাবেন। বৈদিক পুরোহিত ও পণ্ডিতদের পাশে দাঁড়িয়েছে পুরোহিতদের আর এক সংগঠন ‘বঙ্গীয় পুরোহিত কল্যাণ পরিষদ’। পরিষদের সম্পাদক সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পুজোপাঠে
প্রাকৃতিক জল ব্যবহারের কথাই বলা হয়েছে শাস্ত্রে। সুতরাং নদী বা পুকুরের জলই পুজোর উপাচারে সর্বোত্তম। বৃষ্টির জল ধরে রেখেও পুজোয় তা ব্যবহার করা যেতে পারে। তাও তো প্রাকৃতিক। অঞ্জলি দেওয়ার আগে ও পরে পুরোহিত মশাইরা জলের অপচয় নিয়ে নিজেদের মতো করে সাবধান করবেন আমজনতাকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পদ্মফুলের উপর মা দুর্গা! শিল্পীকে ছেঁটেই ফেলল কালীঘাট সংঘশ্রী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.