৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে কেন্দ্রের পরামর্শ নিয়ে ফের সংঘাতের পথে রাজ্য-কেন্দ্র৷ সন্দেশখালিতে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ৩ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ভোট পরবর্তী রাজ্যের পরিস্থিতিকে ফের উত্তপ্ত করে তুলেছে৷ নিহত ৩ জনের মধ্যে ২ জনই বিজেপি কর্মী বলে দাবি শীর্ষ নেতৃত্বের৷ এনিয়ে শনিবার রাত থেকেই সন্দেশখালির ন্যাজাট-সহ গোটা বসিরহাট এলাকাতেই রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে৷ খবর কানে পৌঁছাতেই নড়েচড়ে বসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷ রাতেই ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়েছে৷ রবিবার সকালে দিল্লি রওনা হয়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীও৷ সম্ভবত সোমবার তিনি এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন৷

[আরও পড়ুন: বুধবার দক্ষিণ কলকাতায় বিস্তীর্ণ অংশে বন্ধ থাকবে পানীয় জলের সরবরাহ]

এই পরিস্থিতিতে রবিবার দিনভরও সন্দেশখালিই ছিল রাজ্য রাজনীতির মূল আলোচ্য বিষয়৷ সেখানে দফায় দফায় রাজনৈতিক নেতারা যাতায়াত করেছেন৷ তৃণমূলের তরফে মন্ত্রী তথা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অন্যান্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুজিত বসু, তাপস রায়রা গিয়েছিলেন সকালে৷ দুপুরের দিকে সেখানে যায় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব৷ ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষরা৷ আর বিকেলেই কেন্দ্রের তরফে সন্দেশখালি নিয়ে কড়া বার্তা পৌঁছাল রাজ্যের কাছে৷

সূত্রের খবর, সন্দেশখালির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷ এই সংক্রান্ত একটি ‘অ্যাডভাইজারি’ পৌঁছেছে নবান্নে৷ যেহেতু আইনশৃঙ্খলা বিষয়টি পুরোপুরি রাজ্যের আওতাধীন, তাই কেন্দ্র এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশিকা জারি করতে পারে না৷ শুধু পরামর্শই দিতে পারে৷ সন্দেশখালির ঘটনা ঘিরে তেমনই একটি ‘অ্যাডভাইজারি’ পৌঁছাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে৷ যাতে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, ওই এলাকায় আইনশৃ্ঙ্খলার রক্ষার দায়িত্বে থাকা যেসব পুলিশ অফিসাররা ঠিকমত কাজ করেননি, তাঁদের অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া হোক৷ সীমান্তবর্তী ওই এলাকা যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে, তার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা করুক রাজ্য প্রশাসন৷

[আরও পড়ুন: যান চলাচলে গতি আনতে সিগন্যালে সময় কমানোর ভাবনা কলকাতা পুলিশের]

এই ‘অ্যাডভাইজারি’ পেয়ে রাজ্যের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে, ফের এই অভিযোগে সরব শাসকদল৷ মন্ত্রী তাপস রায়ের অভিযোগ, যারা এমন পরামর্শ দিচ্ছে, তাদের নিজেদের দলের লোকজনই ওই এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে৷ এবং এনিয়ে অর্থহীন রাজনীতি হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর৷ আগেও রাজ্যের বিভিন্ন অশান্তির ক্ষেত্রে কেন্দ্রের কোনওরকম পরামর্শ বা বার্তাকেই খুব ভালভাবে নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবার আবার পরিস্থিতি কিছুটা পৃথক৷ সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪২ আসনের মধ্যে ১৮টিই গিয়েছে বিজেপির দখলে৷ ফলে বিজেপির শক্তি বেড়েছে একলাফে অনেকটাই৷ বেড়েছে গুরুত্বও৷ এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের কাছে রাজ্য বিজেপির বক্তব্য, দাবি পেশের পরিসর বেড়েছে৷ সেখানে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের এই ‘অ্যাডভাইজারি’র বিরোধিতায় আরও সুর চড়াবেন মুখ্যমন্ত্রী, তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ৷   

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং