Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
COVID-19

খাস কলকাতায় অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু করোনার উপসর্গযুক্ত বৃদ্ধার!

সোমবার রাতেই বিদ্যাসাগর হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল ওই বৃদ্ধাকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২১, ১২:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২১, ১২:০৬

options
link
খাস কলকাতায় অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু করোনার উপসর্গযুক্ত বৃদ্ধার! zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

অভিরূপ দাস: খাস কলকাতায় (Kolkata) অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হল বৃদ্ধার। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত থাকলেও ছিল না ফ্লো মিটার। সেই কারণেই এই পরিণতি। ঘটনায় ক্ষুব্ধ রোগীর পরিবার।

জানা গিয়েছে, বেহালার (Behala) বাসিন্দা ওই বৃদ্ধার বয়স ৬৫। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গও ছিল। সোমবার রাতে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যাসাগর হাসপাতালে। ওই হাসপাতালে কোভিড ওয়ার্ড না থাকায় তাঁকে ভরতি করা হয় সারি ওয়ার্ডে। শুরু হয় চিকিৎসা। মঙ্গলবার ভোররাতে মৃত্যু হয় তাঁর। যদিও ওই বৃদ্ধা করোনা আক্রান্ত ছিলেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি। কারণ, তাঁর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট এখনও মেলেনি। পরিবারের অভিযোগ, অক্সিজেনের অভাবেই মৃত্যু হয়েছে ওই রোগীর। তবে ওই হাসপাতালে অক্সিজেন মজুত ছিল না, বিষয়টা তেমন নয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, কলকাতায় পেট্রল-ডিজেলের দামে নয়া রেকর্ড]

সূত্রের খবর, বিদ্যাসাগর হাসপাতালে প্রায় ২০ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত ছিল। কিন্তু তাঁদের কাছে নেই ফ্লো মিটার। ফলে অক্সিজেন কতটা দেওয়া হবে, তা নিয়ে সমস্যা ছিলই। পরিবারের অভিযোগ, অক্সিজেনের অভাবের কারণেই এই ঘটনা। এবিষয়ে হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন, “আমাদের কাছে ফ্লো মিটার নেই। সোমবারই বিষয়টি স্বাস্থ্যভবনে জানানো হয়েছে। তাঁদের তরফে পাঠানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও আমরা পাইনি। ফলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।” সোমবার রাতে গড়িয়ার রেমেডি হাসপাতালের বাইরে অ্যাম্বুল্যান্সে মৃত্য হয় এক রোগীর। অভিযোগ, তাঁকে ভরতি নেয়নি হাসপাতাল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিচ্ছে। আবার কোনও হাসপাতালে মিলছে না বেড। একাধিক হাসপাতালের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও করছে রোগীর পরিবার।

[আরও পড়ুন: তড়িঘড়ি অক্সিজেন পৌঁছে দিল লালবাজার, কাটল গড়িয়ার রেমিডি হাসপাতালের সংকট]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.