নব্যেন্দু হাজরা: ফের বিপর্যয় বউবাজারে। সোমবার সকালে বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হওয়ার আগেই ফের আরেকটি চারতলা বাড়ি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। স্যাঁকরা পাড়ার ঘটনায় যদিও হতাহতের খবর মেলেনি। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। চলছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ।
[আরও পড়ুন: বিস্ফোরণে ধসে যাওয়া রাস্তা মেরামতি, ডালহৌসিতে নিয়ন্ত্রিত যান চলাচল]
স্থানীয় সূত্রে খবর, স্যাঁকরা পাড়া লেনের এই বাড়িটি বেশ কয়েকদিন ধরেই হেলে ছিল, ফাটলও দেখা গিয়েছিল, চাঙড় খসে পড়ছিল। একটু একটু করে ভেঙেও পড়ছিল বাড়িটি। তাই কেএমআরসিএল-এর তরফে সেটিকে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং ভাঙার তালিকাতেও ছিল। আজ থেকেই এলাকার ৫ টি বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করার পরিকল্পনা কেএমআরসিএল-এর। তবে তার আগে আজ সকালে আচমকাই গোটা বাড়ি
ভেঙে পড়ে।
এক সপ্তাহ আগে, গত রবিবার ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সুড়ঙ্গের জন্য টানেল বোরিং মেশিনের কাজ চলাকালীন বউবাজারে ভেঙে পড়ে বাড়ি। আতঙ্ক তৈরি হয়। কেন এমন বিপর্যয়, তার তদন্তে নেমে বোঝা যায়, সুড়ঙ্গে জল জমে মাটির আলগা হয়েই বাড়ি ভেঙে পড়েছে। বিপর্যয়ের দায় নিয়ে মেট্রো কর্তৃপক্ষ নতুন বাড়ি তৈরি এবং আপদকালীন আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রতি অনুযায়ী তা দেওয়াও হয়। পরের দু, একদিনও
আচমকা এভাবে বাড়ি ভেঙে পড়েছে। বাসিন্দাদের নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্গা পিতুরী লেন, স্যাঁকরা পাড়া, গৌর দে লেন জুড়ে আতঙ্ক বিরাজমান। পরিস্থিতি সামাল দিতে মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে ডেকে মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা করেন। সেখানেই স্থির হয়, সোমবার থেকে বিপজ্জনক বাড়িগুলি চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলা হবে। সেইমতো কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল কেএমআরসিএল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তার আগেই ফের বিপর্যয়। স্যাঁকরা পাড়া লেনের এই চারতলা বাড়ি ভেঙে পড়ল। যদিও এই বাড়ি ভাঙার তালিকায় ছিল বলে আগে থেকেই বাসিন্দাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই হতাহতের খবর নেই।
[আরও পড়ুন: পুরসভার অনুমতিতে শুরু বউবাজারের বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার কাজ]
সর্বশেষ খবর
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?
-
হামের মারণ হানা বাংলাদেশে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৬০৫