Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CAA বিরোধী প্রস্তাব

২৭ জানুয়ারি বিধানসভায় CAA বিরোধী প্রস্তাব পেশ, বাম-কংগ্রেসকে শামিলের বার্তা পার্থর

কেরল-পাঞ্জাবের পথে হেঁটেই সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২০, ১৯:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২০, ১৯:৩৮

options
link
২৭ জানুয়ারি বিধানসভায় CAA বিরোধী প্রস্তাব পেশ, বাম-কংগ্রেসকে শামিলের বার্তা পার্থর zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব আনার কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার সুরেই এবার একদিন পর বিধানসভায় প্রস্তাব পেশ করার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি জানিয়ে দিলেন, ‘CAA’র বিরোধিতায় সবাই প্রতিবাদে শামিল হন। বিধানসভায় ২৭ জানুয়ারি CAA বিরোধী প্রস্তাব আনা হবে।’ এদিন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বাম-কংগ্রেসের উদ্দেশে বলেন, ‘সবাই একজোট হয়ে প্রতিবাদ করুন। কিন্তু তারা সেটা না করে যারা মমতাকে নিশানা করে বিজেপির সুবিধা করে দিচ্ছেন, তারা পরে বুঝবেন আসলে বিজেপিকেই শক্তিশালী করছেন।’ সিএএ বিরোধী প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন পার্থ।

উল্লেখ্য, CAA বিরোধিতায় গোড়া থেকে একেবারে প্রথম সারিতে এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিরোধিতাকে সামনে রেখে এগিয়ে এসেছেন অবিজেপি বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। নিজেদের রাজ্যে CAA লাগু করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পাঞ্জাবের অমরিন্দর সিং থেকে অন্ধ্রের জগনমোহন রেড্ডি, কেরলের পিনারাই বিজয়ন।শুধু সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনই নয়, মমতার বিরোধিতার বিষয় একইসঙ্গে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি এবং জাতীয় জনগণনা নিবন্ধীকরণও। জাতীয় স্তরে বারবার এ নিয়ে বিরোধিতায় সরব হলেও, রাজ্য বিধানসভায় CAA বিরোধিতা নিয়ে প্রস্তাব পেশ করতে চেয়ে বাম-কংগ্রেসের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন। তা নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়েন তিনি। দ্বিচারিতার অভিযোগও ওঠে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতা থাকলে আমার সঙ্গে বিতর্কে আসুন’, রাহুল-মমতাকে চ্যালেঞ্জ অমিতের]

বিশেষত বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান বারবার প্রশ্ন তোলেন, আইনের বিরোধিতা করলে, রাজ্য বিধানসভায় কেন সেই প্রস্তাব আনতে বাধা দিচ্ছেন? সপ্তাহ খানেক আগে কলকাতায় নরেন্দ্র মোদির সফরকালে তাঁর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের বিরোধিতা করতে গিয়ে বাম ছাত্র সংগঠনও এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.