স্বাস্থ্যভবন অভিযানে বাধা পেয়ে কলকাতা পুরসভার সামনে-সহ একাধিক জায়গায় অবস্থানে বসেছিলেন আশাকর্মীরা। তা নিয়ে দুপুর থেকে উত্তপ্ত কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলা। স্বাস্থ্যভবন চত্বর-সহ একাধিক জায়গায় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। অবশেষে বিকেলে কলকাতা পুরসভার সামনের অবস্থান প্রত্যাহার করেন বিক্ষুব্ধরা। যদিও স্বাস্থ্যভবন চত্বরে অবস্থান চলছে বলেই খবর। তবে কর্মবিরতি চলবে বলেই সাফ জানালেন আশাকর্মীরা। পাশাপাশি আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে ধিক্কার দিবস।
কলকাতা পুরসভার সামনের অবস্থান প্রত্যাহার করলেন বিক্ষুব্ধরা। তবে কর্মবিরতি চলবে বলেই সাফ জানালেন আশাকর্মীরা। পাশাপাশি আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে ধিক্কার দিবস।
আরও পড়ুন:

বুধবার সল্টলেকের স্বাস্থ্যভবনে কর্মসূচি ছিল আশাকর্মীদের। একাধিক জেলা থেকে আসা স্বাস্থ্যভবনমুখী মিছিলের প্রতিটিতেই পুলিশ বাধা দেয়। তা উপেক্ষা করে এগিয়ে চলেন বিক্ষোভকারীরা। কোথাও কোথাও রাস্তা অবরোধ করেন। তবে পরিস্থিতি বেশি উত্তপ্ত হতে শুরু করে কলকাতায় মিছিল প্রবেশের পর। বিশেষত শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলার দিকে যাওয়া মিছিলকে এসএন ব্যানার্জি রোডে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকাতে চাইলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। আশাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে বাঁধে মহিলা কনস্টেবলদের। কয়েকজনকে সেখান থেকে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মিছিল কোনওক্রমে স্বাস্থ্যভবন চত্বরে পৌঁছতেই ফের পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন আশাকর্মীরা। এরপরই তাঁরা কলকাতা পুরসভার সামনে, স্বাস্থ্যভবন চত্বর-সহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থানে বসেন।
পরবর্তীতে আশাকর্মীদের ৫ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তারা। সূত্রের খবর, সেখানে তাঁদের ৮ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেই খবর। এরপর পৌনে ছ’টা নাগাদ কলকাতা পুরসভার সামনের অবস্থান তুলে নেন আশাকর্মীরা। তাঁরা বলেন, “স্বাস্থ্যসচিব দেখা করবেন বলে সমস্ত জেলা থেকে আশাকর্মীরা এসেছিলাম। কিন্তু পুলিশ সর্বত্র আটকে দিয়েছে। আমরা আজ অবস্থান তুলছি। তবে আন্দোলন চলবে। আগামিকাল ধিক্কার দিবস পালন করব।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?