Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Ashwin Sanvi to head SIT in teacher recruitment scam

নিয়োগ দুর্নীতি: সিটের মাথায় অশ্বিন শেনভি, ‘সারদা-নারদা না হয়ে যায়’, মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

দু'দিন আগে সিবিআইয়ের সিট ভেঙে তা পুনর্গঠন করে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২২, ২০:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২২, ২০:৩৮

options
link
নিয়োগ দুর্নীতি: সিটের মাথায় অশ্বিন শেনভি, ‘সারদা-নারদা না হয়ে যায়’, মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের zoom

রাহুল রায়: “যেন সারদা-নারদা না হয়ে যায়”, শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের সিটের মাথায় ডিআইজি অশ্বিন শেনভিকে বসিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় নতুন তদন্ত দল গঠন করে আদালতের নির্দেশ, আগামী সাতদিনের মধ্যে অশ্বিন শেনভিকে কলকাতায় এসে এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তভার গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, পুনর্গঠিত সিট-কে ২১ দিনের মধ্যে ৫৪২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে বর্তমানে রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) তদন্ত চালাচ্ছে। এরই মধ্যে দু’দিন আগে সিবিআইয়ের সিট ভেঙে তা পুনর্গঠন করে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তৎকালীন ডিআইজি অখিলেশ সিংকে সিটের মাথায় রাখা হয়। একই সঙ্গে, সিবিআইয়ের ডেপুটি এসপি কে. সি রিশিনামোল ও ইন্সপেক্টর ইমরান আশিক দুই আধিকারিককে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) থেকে অব্যাহতি দিয়ে, তার পরিবর্তে অংশুমান সাহা (ডেপুটি সুপার), বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (ইন্সপেক্টর), প্রদীপ ত্রিপাঠি (ইন্সপেক্টর) ও ওয়াসিম আক্রম খান (ইন্সপেক্টর) – চার অফিসারকে সিটের সদস্য হিসেবে নিয়োগ করেন বিচারপতি।

[আরও পড়ুন: মেরামতির জন্য শনিবার থেকে বন্ধ সাঁতরাগাছি ব্রিজের একাংশ, কোন বিকল্প পথে চলবে গাড়ি?]

তবে বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ আকর্ষণ করে সিবিআই জানায়, অখিলেশ সিং সিটের দায়িত্ব নিতে পারবেন না। কারণ তাঁর পদোন্নতি হয়েছে। বর্তমানে তিনি অসমের আইজি। তার প্রেক্ষিতে শুক্রবার হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তরফে অখিলেশ সিংহের পরিবর্তে তিনজন সিবিআই অফিসারের নাম দেওয়া হয়। তাঁরা প্রত্যেকেই ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে একজন সুধাংশু খারে, যিনি কলকাতায় কর্মরত। দ্বিতীয়জন মাইকেল রাজ, যিনি বর্তমানে রাঁচিতে কর্মরত এবং তৃতীয় অশ্বিন সেনভি, যিনি চন্ডিগড়ে কর্মরত। সিবিআইয়ের তরফে আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, “এই তিনজনই ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক। তিনজনেই দুর্নীতি মামলায় পারদর্শী।”

Advertisement

এরপরই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, “আমি এমন একজনকে চাই যিনি রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থান জানেন। বিচারপতি জানতে চান, “প্রথম যখন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় তখন পঙ্কজ শ্রীবাস্তব বলে একজন আধিকারিক ছিলেন। তিনি এখন কোথায় আছেন ? তাঁকে কি ফিরিয়ে আনা যায়? ১৫ মিনিটের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলে বিচারপতিকে জানানো নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারপতির নির্দেশের পর সিবিআই-এর তরফে আদালতে জানানো হয়, পঙ্কজ শ্রীবাস্তব বর্তমানে আইজি পদমর্যাদায় প্রমোশন পেয়ে গাজিয়াবাদে সিবিআই অ্যাকাডেমিতে কর্মরত রয়েছেন। এরপরই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের জন্য ডিআইজি অশ্বিন সেনভিকে সিটের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব দেন। তার প্রেক্ষিতেই বিচারপতি মন্তব্য করেন, “আমি চাই না নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের পরিণতি সারদার তদন্তের মতো হোক।”

[আরও পড়ুন: কয়লা পাচারে প্রভাবশালী তত্ত্ব শুভেন্দুর, ‘বুকে নেই দম, খাবে চমচম’, পালটা কুণালের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.