অভিরূপ দাস: করোনা (COVID-19) সারবে বলে দাবি করে বাজারে ওষুধ এনেছিল বাবা রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলি (Patanjali)। অবিলম্বে সেই ওষুধ বাতিল করার দাবিতে শুক্রবার কলকাতার রাস্তায় নামলেন চিকিৎসকদের একাংশ। ডাক্তারবাবুদের দাবি, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই যোগগুরুর কোম্পানি পতঞ্জলির করোনিলকে করোনার ওষুধ বলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তার প্রতিবাদে এদিন অন্যতম কোভিড হাসপাতাল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সামনে পুড়ল রামদেবের (Ramdev) কুশপুতুল।
করোনায় দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছেন শুধুমাত্র অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার জন্য। ‘বোকা বোকা’ এই চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সম্প্রতি ব্যঙ্গ করেছিলেন যোগগুরু। চিকিৎসকরা এদিন জানান, এহেন মন্তব্যের প্রতিবাদে ৪ থেকে ১০ জুন টানা প্রতিবাদ সপ্তাহ পালন করা হবে। চিকিৎসক সংগঠন মেডিক্যাল সার্ভিস সেন্টার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক ডাক্তার অংশুমান মিত্র জানিয়েছেন, “রামদেব যেভাবে মর্ডান মেডিসিন সম্বন্ধে কুৎসা প্রচার করছে , মর্ডান মেডিসিনের চিকিৎসকদের অবমাননা সূচক মন্তব্য করছে তার বিরুদ্ধেই আমাদের প্রতিবাদ।”
[আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ, বাতিলের পথে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক]
এদিন শুধু কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ নয়, নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজের সামনেও বিক্ষোভ দেখান চিকিৎসকরা। ডা. মৃদুল সরকার, ডাঃ অপূর্ব মন্ডলরা জানিয়েছেন, “রামদেব এবং তাঁর কোম্পানি পতঞ্জলির বাড়বাড়ন্ত শুরু হয় কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকারের জমানায়। করোনা অতিমারী (Corona Pandemic) পরিস্থিতিতে রামদেবের মর্ডান মেডিসিনের বিরুদ্ধে কুৎসা প্রচার সমাজ মননে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি বিরূপ মনোভাব তৈরির ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। আমরা আশা করছি কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রী এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবেন।”
চিকিৎসকদের দাবি, অবিলম্বে রামদেবকে গ্রেপ্তার করতে হবে। ফৌজদারি মামলা শুরু করতে হবে।
[আরও পড়ুন: ভোটের পরও মানুষের পাশে, রাজনীতিতে ‘সাবালকত্ব’ অর্জন করছেন অভিষেক]
সর্বশেষ খবর
-
শনি-রবি শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল একাধিক লোকাল, তালিকায় কোন কোন ট্রেন?
-
টিআরপিতে বিরাট রদবদল! বেঙ্গল টপার ‘জোয়ার ভাঁটা’, সেরা দশে কোন কোন বাংলা মেগা?
-
‘নব্য তৃণমূলে’র উত্থানে ৫ জেলায় লন্ডভন্ড ঘাসফুল! কে কোন দিকে গেলেন?
-
‘কালা হিরণ’ ঘোষণা হতেই মুণ্ডচ্ছেদের হুমকি! সলমনের আইনি নোটিস ছিঁড়ে পালটা চ্যালেঞ্জ প্রযোজকের
-
দলে কথা বলার সুযোগ পাননি! ভোটে হেরে রাজনৈতিক সন্ন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিসের