৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দীপঙ্কর মণ্ডল ও তনুজিৎ দাস: রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের পাশে বসেই তাঁর ‘ভাত-ডাল’ মন্তব্যের বিরোধিতা করলেন তথা অধ্যাপিকা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ স্পষ্ট জানালেন, তাঁদের দু’জনকে ভাত-ডালের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়৷ নিজের যোগ্যতায় তিনি পরিচিতি লাভ করেছেন৷

[ আরও পড়ুন: ‘প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লড়ব এবং জিতব’, মমতাকে হুঁশিয়ারি শোভনের ]

বিতর্কের সূত্রপাত মঙ্গলবার সকালে৷ যখন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র থেকে বাদ পড়ে তাঁরই বন্ধু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম৷ সূত্রের খবর, বিষয়টিকে ভাল ভাবে নেননি তৃণমূলের অধ্যাপক সেলের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদিকা৷ গত সপ্তাহে তাঁরা দু’জনেই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন৷ কিন্তু তারপরও রাজ্য বিজেপির আমন্ত্রণপত্র থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেন বৈশাখীদেবী৷ মঙ্গলবার সকালে থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয় ৬ মুরলীধর সেন লেনের রাজ্য বিজেপি দপ্তরে৷ জানা গিয়েছে, এরপর দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে নামেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা৷ হাল ধরেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ ভুল স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন, “শোভনদা আর বৈশাখীদি তো ডাল আর ভাতের মতো। আলাদা করে নাম লেখার কিছু নেই। তবে, লেখা উচিত ছিল।”

[ আরও পড়ুন: আরজি কর হাসপাতাল থেকে পলাতক, ১০ ঘণ্টা পর ফের বন্দিকে ধরল পুলিশ ]

কিন্তু সাংবাদিকদের সামনেই রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি বলেন, ‘‘ডাল-ভাত যেটা বলা হয়েছে, আমি বুঝলাম না উনি কাকে ডাল আর কাকে ভাত বলেছেন৷ ভাত যদি শোভনদা হয়, আমি যদি ডাল হই, আর আমি ডালের মতো সব সময় ওনার সঙ্গে মিশে যাই, এই ধারনা ভুল৷ কারণ আমি নিজের পরিচয়ে যথেষ্ট পরিচিত৷ আর যদি ওনাকে ডাল বলে থাকেন, ভাবেন উনি আমার ঘারে চড়ে ঘুরে বেরাচ্ছেন৷ তবেও আমার এত শক্তি নেই৷ আমি শোভনদাকে ঘারে চড়াতে পারব না৷’’

ছবি: অমিত ঘোষ

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং