Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

হরতালের প্রথম দিনে প্রাসঙ্গিক হতে পেরেই খুশি বামেরা

উদ্দেশ্য সফল হয়েছে, দাবি সূর্যকান্তের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০১৯, ২১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০১৯, ২১:১৭

options
link
হরতালের প্রথম দিনে প্রাসঙ্গিক হতে পেরেই খুশি বামেরা zoom

তনুময় ঘোষাল: বনধ সফল হল কি হল না, সেই চর্চায় না গিয়ে হরতালকে কেন্দ্র করে প্রাসঙ্গিক হতে পেরেই খুশি বামেরা। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপির চাপে তৃতীয় স্থানে চলে গিয়েছে সিপিএম। ভোট বাক্সেও ধাক্কা লেগেছে৷ সেই ক্ষত মেরামত করতে মঙ্গলবার শুরু থেকেই কড়া মেজাজে ছিল আলিমুদ্দিনের নেতৃত্ব। বস্তুত, কড়া সার্কুলারের জেরে সিপিএম কর্মীদেরও হরতাল ইস্যুতে অনেকটাই জঙ্গি মেজাজে দেখা গিয়েছে এদিন। আর এই ঘটনাই বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে আলিমুদ্দিনকে। তাই ধর্মঘট কতটা সফল হল সেই আলোচনায় না গিয়ে বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ্য করেছে আলিমুদ্দিন নেতৃত্ব।

[মেট্রো স্টেশনেও বনধ সমর্থকদের তাণ্ডব, ব্যাহত পরিষেবা ]

Advertisement

তবে এটাও ঘটনা যে মঙ্গলবার সকালেই সুজন চক্রবর্তী ও অনাদি সাহু গ্রেপ্তার হওয়ায় রণেভঙ্গ দেয় বামেরা। সকাল দশটার মধ্যে বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্রর পথে নামার কর্মসূচি থাকলেও তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। জেলাগুলিতে বামেরা জঙ্গি মেজাজে থাকলেও, কলকাতা-সহ উত্তর ২৪ পরগণা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দুপুরের পর অধিকাংশ জায়গায় মিছিল, পিকেটিং বন্ধ করে দেয় বামেরা। তবে দুপুর আড়াইটে নাগাদ হেদুয়া থেকে শ্যামবাজার হয়ে খান্না পর্যন্ত বামফ্রন্টের মিছিলে পা মেলান বিমান বসু, নরেন চট্টোপাধ্যায়-সহ বাম নেতারা।  কিন্তু সূর্যকান্ত মিশ্রকে এদিন রাস্তায় দেখা যায়নি। বিকেলে আলিমুদ্দিনে তিনি দাবি করেন, “উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।” রীতিমতো হুমকির সুরে তিনি বলেন, “বুধবারও যদি প্রশাসন হরতাল ভাঙতে চায়, তবে ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে।”

[‘পুলিশকে কান ধরে ওঠবোস করাব’, প্রকাশ্যে হুমকি শতরূপের]

জোড়া হরতালের প্রথম দিনে রাজ্যে অন্তত ১,৫০০ জন রাজনৈতিক কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে বলে দাবি সিপিএমের। আহতর সংখ্যা অন্তত ১৫০। সূর্যকান্ত মিশ্র দাবি করেন, হরতালকে কেন্দ্র করে রাজ্যে কোনও পথচারী বা যাত্রী আহত হননি। তবে বাস ভাঙচুরের ঘটনা অস্বীকার করেননি সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক। রাজ্য প্রশাসনকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন,“আবারও প্রমাণ হল বিজেপির রক্ষাকর্তা রাজ্য সরকার।” বামেদের দাবি, অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে হাজিরা কম ছিল৷ বিতর্কিত মন্তব্য করায় একইসঙ্গে এদিন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক এদিন আক্রমণ করেছেন, খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককেও৷ তিনি বলেন, ‘‘ওঁর বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় এফআইআর করা হবে। এফআইআর না নেওয়া হলে আদালতে অভিযোগ জানানো হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.