Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Mamata Banerjee

নবান্নে মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ ইউনুসের দূতের, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দৃঢ় সম্পর্কের অঙ্গীকার

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসকে শুভেচ্ছাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৫, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৫, ২১:১৩

options
link
নবান্নে মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ ইউনুসের দূতের, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দৃঢ় সম্পর্কের অঙ্গীকার zoom
Advertisement

মলয় কুণ্ডু: ৯ বছর পর বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সোমবার নবান্নে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিল্লিতে নবনিযুক্ত ঢাকার হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ। ওপার বাংলার মানুষের সঙ্গে এ রাজ্যের মানুষের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আশা ব্যক্ত করেন দু’জন। এই সাক্ষাতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসকে শুভেচ্ছাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ভারতের কোনও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের এটিই প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে জানা গিয়েছে। এই বৈঠক নিয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আজ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিল্লিতে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ। অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে আশাবাদী তাঁরা। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে চিরায়ত ভাষাগত, সাংস্কৃতিক ও অভিন্ন মূল্যবোধকেন্দ্রিক আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, তা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের উর্ধ্বে বলে উল্লেখ করেন। তিনি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার প্রতিজ্ঞা করেছেন। পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসকে তাঁর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানোর অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

সূত্রের খবর, আজ বাংলাদেশের কূটনীতিকরা উপহার হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে বাংলাদেশের মিষ্টি এবং শাড়ি তুলে দেন। এদিকে, তথ্য বলছে, ৯ বছর পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন প্রতিবেশি দেশের দূত। এর আগে ২০১৬ সালে তৎকালীন ঢাকার হাইকমিশনার মোয়াজ্জেম আলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তারপর থেকে আর এই পদের কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয়নি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। তবে শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে যেসব ঘটনা ঘটছে সেই প্রেক্ষিতে এই সাক্ষাৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.