নব্যেন্দু হাজরা: সংরক্ষণের বিরোধিতায় ছাত্র আন্দোলনের গনগনে আগুন ছড়িয়েছে গোটা বাংলাদেশে (Bangladesh)। পরিস্থিতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও অবনতি হচ্ছে। আর প্রতিবেশী দেশের এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত পশ্চিমবঙ্গও। বাংলাদেশে আটকে এ রাজ্যের বহু বাসিন্দা, পড়ুয়া। তা নিয়ে চিন্তিত রাজ্য প্রশাসন। দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে এনিয়ে যোগাযোগ করল নবান্ন। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের রেসিডেন্সিয়াল কমিশনারকে এই মর্মে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার নবান্নের (Nabanna) তরফে দিল্লিতে রেসিডেন্সিয়াল কমিশনারকে ফোন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে রাজ্যের কেউ আটকে রয়েছেন কিনা, থাকলে তাঁরা কী অবস্থায় রয়েছেন, সেসব বিস্তারিত খবরাখবর নিতে বলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Ministry of Home Affairs) সঙ্গে এ বিষয়ে যাবতীয় সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেসিডেন্সিয়াল কমিশনারকে (Residential Commissioner)। জানানো হয়েছে, নবান্ন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সতর্ক। যে কোনও প্রয়োজনে সাহায্যের জন্য প্রস্তুত।
[আরও পড়ুন: রাজ্যপাল বনাম মুখ্যমন্ত্রী মানহানি মামলা: হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ রাজ্য]
যদিও উত্তপ্ত বাংলাদেশ থেকে ইতিমধ্যেই দেশে ফিরছেন আতঙ্কিত পড়ুয়ারা। দুই বাংলার বিভিন্ন সীমান্ত পেরিয়ে চলে এসেছেন অনেকে। শুধু বাংলার পড়ুয়ারা নন, নেপাল, ভুটান-সহ প্রতিবেশী যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে কোনও না কোনও কারণে গিয়েছিলেন তাঁরা, সকলেই ফিরতে মরিয়া। শনিবার থেকে বাংলাদেশ জুড়ে জারি হয়েছে কারফিউ (Curfew)। এবার ফেরা নিয়ে আরও সমস্যায় পড়বেন তাঁরা, এই মুহূর্তে সেটাই সবচেয়ে আশঙ্কার। আর এ ধরনের সংকট থেকে উদ্ধার পেতে কূটনৈতিক স্তরে তৎপরতা বাড়াচ্ছে নবান্ন।
[আরও পড়ুন: একুশের সমাবেশে কীভাবে যান নিয়ন্ত্রণ, জেনে নিন বন্ধ থাকবে কোন কোন রাস্তা]
সর্বশেষ খবর
-
ট্রেন বা স্টেশন নোংরা করলে জরিমানা ১০০০ টাকা! আর কোন নিয়মভঙ্গে গুনতে হবে মোটা টাকা?
-
মিলে গেল বাইবেলের বর্ণনা, ২ হাজার বছর পরে মিলল যিশুর কবর!
-
ড্রোন তৈরিতে পড়ুয়াদের হাতেখড়ি, আইইএমের ‘অ্যাভিওনিক্স ২০২৬’ ঘিরে তুঙ্গে উন্মাদনা
-
স্পনসরের আকালে গিল-শ্রেয়সরা! ডেডলাইনের দু’সপ্তাহ পরেও খালি হাত বোর্ডের, কেন এই দুরবস্থা?
-
রাজ্যের অনুরোধে সাড়া! প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় নথিভুক্তকরণের সময়সীমা বাড়াল কেন্দ্র