রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: সিএএ’র সমর্থনে সভা হলেও ঠিক এমন একটা সময়ে অমিত শাহ কলকাতায় আসছেন তখন শিয়রে রাজ্যের পুরভোট। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের লড়াইয়ের আগে এই পুরভোট বিজেপির কাছে কার্যত সেমিফাইনাল। রয়েছে কলকাতা কর্পোরেশনের ভোটও। সেই পুর যুদ্ধের আগে নরেন্দ্র মোদির প্রধান সেনাপতি সভা করবেন কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলার বুকে শহিদ মিনার ময়দানে। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, সভায় এসে পুরভোট নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিন অমিত শাহ। আর রাজনৈতিক মহলও মনে করছে যে, শহিদ মিনারের সভা থেকে কার্যত পুরভোটের দামামাই বাজিয়ে দিয়ে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একইসঙ্গে দলের প্রচারের সুরও বেঁধে দিয়ে যাবেন তিনি।
আগামী রবিবার অমিত শাহর সভার প্রস্তুতি নিয়ে জোর তৎপরতা ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনে। দফায় দফায় বৈঠক চলেছে। শুধু শাহই নন, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা ও সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষও আসছেন কলকাতায়। শহিদ মিনার ময়দানের প্রস্তুতি দেখতে বুধবার দুপুরে মাঠ পরিদর্শন করেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ-সহ রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, বিধায়ক সব্যসাচী দত্তরা। শহিদ মিনার ময়দান নন-রেসিডেন্সিয়াল এলাকা হলেও পরীক্ষার মরশুমে আদালতের নিয়ম মেনে মাঠের চারিদিক চট ও কাপড় দিয়ে ঘিরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাইকের বদলে বক্স ব্যবহার করা হবে। জানিয়েছেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
দলীয় সূত্রে খবর, যেহেতু একাধিক মঞ্চ করার জায়গা কম তাই দু’টি মঞ্চ হতে পারে অথবা ‘ডবল ডেকার স্টেজ’ করার ভাবনাও রয়েছে। যেখানে প্রথম মঞ্চে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ কেন্দ্রীয় নেতা ও রাজ্যের শীর্ষ কয়েকজন নেতা থাকবেন। মঞ্চের পিছনের দিকে সাংসদ ও বিধায়করা। সভায় সংখ্যালঘুদের একটা বড় অংশকে জমায়েত করানোর চেষ্টা হচ্ছে। তাঁদের ফেজটুপি পরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যাতে বোঝানো যায়, সিএএ’র সমর্থনে রয়েছেন সংখ্যালঘুরাও।
[আরও পড়ুন: ‘পুলিশকে গুলি করছে, ওদের কি চা খাওয়ানো উচিত?’ দিল্লি প্রসঙ্গে বেলাগাম দিলীপ]
সূত্রের খবর, ২৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে যদি অমিত শাহ না আসতে পারেন তাহলে ১ মার্চ জনসভার পর পুরভোট নিয়ে রাজ্যের শীর্ষ নেতা ও জেলা সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। একান্তই শাহ যদি বৈঠক করতে না পারেন তাহলে জেপি নাড্ডা ও বিএল সন্তোষ বৈঠক করবেন। যে সব জেলায় পুরসভার ভোট রয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার দলের সভাপতিদের রবিবার রাতে কলকাতাতেই থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২ মার্চ পুরভোট নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক হবে। যেখানে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডা। শাহর নির্দেশ মতো পুরভোটের প্রচার, রণকৌশল সবকিছু ছকে দিয়ে যাবেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
রুখতে পারলেন না অমিত শাহও! তামিলনাড়ুর ‘পোস্টার বয়ে’র সঙ্গে বিচ্ছেদে সিলমোহর বিজেপির
-
INDIA জোট ছাড়ল স্ট্যালিনের ডিএমকে, মমতার বৈঠকের আগেই ভাঙন বিরোধী শিবিরে
-
সোনা বিক্রি জল্পনার মধ্যেই রেপো রেট নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের, কী হবে আমজনতার?
-
‘ধর্মের কল বাতাসে নড়ে’, স্বরূপ গ্রেপ্তার হতেই ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ নিয়ে সরব ঋদ্ধি থেকে শ্রীলেখা
-
টিম ইন্ডিয়ায় ফিরলেন রুতুরাজ, কোহলির চোটে শিকে ছিঁড়ল পাতিদারেরও