BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘হে ভারতবাসী, ভুলো না ওদের…’, কারগিল শহিদদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে আবৃত্তি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: July 26, 2020 8:59 pm|    Updated: July 26, 2020 9:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শত্রুদেশের আক্রমণে কতই না রক্তাক্ত হয়েছে ভারতভূমি। আর দেশের বীর সন্তানরা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে রক্ষা করেছে দেশমাতাকে। ভারতের ইতিহাসে কারগিল (Kargil War) যুদ্ধ তেমনই এক বলিদানের অধ্যায়। বীর সেনানিদের শ্রদ্ধা জানাতে কোনও অর্ঘ্যই বোধহয় যথেষ্ট নয়। তবু সেই উদ্যোগ তো থাকেই। কারগিল যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে তাই আজকের দিনে রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে দিলেন আবৃত্তি। কবি হিরোদ মল্লিকের লেখা কবিতা পাঠ করে তিনি টুইট করেন। মন্ত্রীর গলায় আবেগপূর্ণ সেই আবৃত্তি শুনে মুগ্ধ আমজনতা।

‘যারা সীমান্তে জাগে নিশিদিন, হাসিমুখে দেয় প্রাণ/ তারা তো সকলে তোমার, আমার ঘরের সন্তান’, এই শব্দাবলি সাজিয়ে কারগিল বিজয় দিবসে শহিদদের প্রতি সম্মানজ্ঞাপনের সূচনা করেছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গক্রমেই চলে এসেছে সাম্প্রতিক গালওয়ান প্রসঙ্গ। মন্ত্রীর পাঠে জায়গা করে নিয়েছে এই কথা – ‘শত্রুর সাথে ওরা নির্ভীক প্রাণে/পাঞ্জা কষে কারগিল-গালওয়ানে।’ এসেছে শহিদ পরিবারগুলোর গর্ব আর বেদনার কথা। ‘ঘরেতে ওদের প্রিয়জন যত, দুরুদুরু বুকে থাকে/ প্রাণ কাঁদে, তবু চক্ষের জল গোপনে লুকিয়ে রাখে।’

[আরও পড়ুন: লকডাউনের আবহে সবজি বাজারে আগুন, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের]

শহিদদের প্রাণের বিনিময়ে সুরক্ষিত হয় ১৩০ কোটি দেশবাসীর জীবন। তাই আবৃত্তির শেষাংশে তাঁর আবেদন, ‘ওরা মরে, আমরা তো বাঁচি/ ওরা নেই, তাই আমরা আছি/ হে ভারতবাসী, ভুলো না ওদের…’। পৌনে দু মিনিটের কবিতাপাঠ যেমন মরমী, তেমনই দৃঢ়। যা ছুঁয়ে গিয়েছে আমজনতার হৃদয়। মন্ত্রীর পাঠের মাধ্যমেই অগণিত মানুষ বীর সেনাদের সম্মান জানাতে পেরেছেন।

[আরও পড়ুন: ‘২১ বছর আগে যোগ্য জবাব পেয়েছিল পাকিস্তান’, কারগিল বিজয় দিবসে স্মৃতিচারণা মোদির]

এমনিতে মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্কৃতি অনুরাগের কথা জানেন সকলে। জুনে চিন-ভারত সীমান্তে গালওয়ানে লড়াইয়ের পর তিনি শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে উৎসর্গ করেছিলেন গান। কারগিল বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা জানালেন আবৃত্তির মাধ্যমে। শুধু এভাবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনই নয়, মন্ত্রী নিঃশব্দে আরও অনেক সমাজসেবামূলক কাজই করে থাকেন। তবে রবিবার তাঁর এই শ্রদ্ধার্ঘ্য মন ছুঁয়েছে নেটিজনদের।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement