Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Bengal Polls TMC

নারীবিদ্বেষী মনোভাবের অভিযোগ, মোদির ‘দিদি, ও দিদি’ সম্বোধনে আপত্তি তৃণমূলের

কেন একজন প্রধানমন্ত্রী এত নিচে নেমে যাবেন, প্রশ্ন তৃণমূলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২১, ১৫:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২১, ১৫:৩১

options
link
নারীবিদ্বেষী মনোভাবের অভিযোগ, মোদির ‘দিদি, ও দিদি’ সম্বোধনে আপত্তি তৃণমূলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:দিদি, ও দিদি‘। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) যে কোনও জনসভায় এখন আকছার শোনা যায় এই সম্বোধন। নিজের ভাষণের ফাঁকে ফাঁকে সুযোগ পেলেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবে সম্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির এই ‘ও দিদি’র স্বর বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়ও হয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর এই সম্ভাষণের মধ্যে নারী বিদ্বেষ লুকিয়ে আছে। রাজ্যের শাসকদল বলছে, মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরেই ‘দিদি’ বলে ডাকছেন মোদি।

Bengal Polls: TMC objects to PM Modi's comments on Mamata Banerjee

Advertisement

রবিবার তৃণমূলের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে শশী পাঁজা, জুন মালিয়া (Jun Mallya), অনন্যা চক্রবর্তীরা অভিযোগ করলেন, প্রধানমন্ত্রীর আচরণ দুর্ভাগ্যজনক এবং নারীবিদ্বেষী। তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হল,”আজ আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেদের আসনকে সম্মান করছেন না। দেশের প্রধানমন্ত্রী টোন কাটছেন। টিটকিরি দিচ্ছেন। ওনার ভাষণেই স্পষ্ট উনি কতটা নারীবিদ্বেষী। দেখেছেন ঠিক কোন ভঙ্গিমায় জনসভাতে উনি ‘দিদি ও দিদি’ বলেন। আপনি কি কারও সম্পর্কে একথা বলতে পারেন? এটা কি ঠিক? সর্বসমক্ষে কীভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রীকে কটূক্তি করছে। কেন একজন প্রধানমন্ত্রী এত নিচে নেমে যাবেন যে ওনাকে হেনস্তাকারী, মহিলাদের উত্যক্ত করার মতো মানুষ ভাবা হবে?”

[আরও পড়ুন: আরএসএসের মতোই বিচ্ছিন্নতাবাদী বামেরা! কেরল থেকে বাংলার জোটসঙ্গীদের তোপ রাহুলের]

শশী পাঁজাদের অভিযোগ, “এটা শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) অপমান করা নয়। বাংলার সমস্ত মা-বোনেদের অপমান। মমতার নেতৃত্বে বাংলায় নারীশক্তির যে উত্থান হয়েছে, তার অপমান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৫ বছর ধরে সাংসদ। কেন্দ্রের মন্ত্রী ছিলেন, দশ বছরের মুখ্যমন্ত্রী। ওনার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই অভব্য অভিব্যক্তি আজ পর্যন্ত কোনও প্রধানমন্ত্রীর কথায় শোনা যায়নি। এতেই বোঝা যায়, বিজেপি কতটা নিচুস্তরে নেমে গিয়েছে। শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, কদর্য অভিব্যক্তি দিয়ে বাংলার জননেত্রীকে অপমান করার খেলায় মেতে উঠেছে।” শাসকদলের দাবি, বাংলার মানুষ মমতার এই অপমানের জবাব ভোটবাক্সে দেবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.