BREAKING NEWS

১০ কার্তিক  ১৪২৮  বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

গোয়েন্দাকর্তার কুর্শিতে এবার ১৪ বছরের কিশোর

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 30, 2016 9:37 pm|    Updated: December 30, 2016 9:49 pm

Bhabani Bhavan to welcome 14 years old CID Chief

স্টাফ রিপোর্টার: গোয়েন্দা গল্প হাতে পেলে আর কিছু চাই না৷ প্রিয় চরিত্র ফেলুদা, শার্লক হোমস৷ ক্রাইম থ্রিলার হোক বা ‘গোয়েন্দা গিন্নি’, ডিকেটটিভ মেগা চললে পৃথিবী উল্টে গেলেও টিভির সামনে থেকে নড়বে না বছর চোদ্দোর শ্রীমন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ স্বপ্ন একটাই, বড় হয়ে ফেলুদার মতো গোয়েন্দা হবে৷
এই স্বপ্নেই এবার ডানা জুড়ে দিল ভবানীভবন৷ রাজ্যের গোয়েন্দা প্রধানের চেয়ারে একদিনের জন্য শ্রীমনকে বসানো হচ্ছে৷ নতুন বছরের শুরুতেই এই ‘পালাবদল’ হবে৷ এডিজি (সিআইডি) রাজেশ কুমার প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন৷ জানিয়েছেন, জানুয়ারির শুরুতেই একদিনের জন্য এডিজি-সিআইডি করা হবে শ্রীমন বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ প্রথা মেনে বসানো হবে চেয়ারে৷ দুঁদে গোয়েন্দারা ওই কিশোরকে দেখাবেন কীভাবে সিআইডি কাজ করে৷ কীভাবে চলে তদন্ত৷
হাতিবাগান মসজিদবাড়ি স্ট্রিটে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে শ্রীমন৷ শ্যামবাজারের ঐতিহ্যবাহী এ ভি স্কুল থেকে ফেব্রুয়ারিতেই মাধ্যমিক দেবে সে৷ আর পাঁচটা কিশোরের মতোই শ্রীমনের জীবন-যাপন৷ বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, ছোট থেকেই ছেলেটির রক্তে বাসা বেঁধেছে ক্যান্সার৷ যত দিন গিয়েছে লিউকোমিয়ার সেই ভয়ঙ্কর বিষ পঙ্গু করে দিয়েছে শ্রীমনকে৷
মা মৌমনা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, এক-দেড় বছর বয়স থেকেই শ্রীমনের খুব ঘন ঘন জ্বর হত৷ তাপমাত্রা খুব চড়ে যেত৷ এরপর শুরু হয় পায়ের যন্ত্রণা৷ আস্তে আস্তে তা মাথায় ছড়িয়ে পড়ে৷ পারিবারিক চিকিৎসক ভেবেছিলেন, শ্রীমনের ‘শিশুবাত’ হয়েছে৷ সেইমতো চিকিৎসাও চলছিল৷ কিন্তু পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শ্রীমনের বাবা-মা সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান ছেলেকে৷ পরে ভর্তি করা হয় পার্ক সার্কাসের একটি বেসরকারি শিশু হাসপাতালে৷ সেখানেই জানা যায়, শ্রীমন লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত৷
শ্রীমনের বাবা সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় এরপর ছেলেকে নিয়ে মুম্বই যান৷ কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে কিছুদিন পর কলকাতায় ফিরতে বাধ্য হন৷ এরপর ডা. আশিস মুখোপাধ্যায়ের অধীনে পার্ক লেনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শুরু হয় শ্রীমনের চিকিৎসা৷ টানা দু’বছর কেমোথেরাপি চলে৷ চিকিৎসা চলাকালীনই আশিসবাবু জানতে পারেন শ্রীমনের গোয়েন্দা হওয়ার স্বপ্নের কথা৷ বিষয়টি ভুলে গিয়েছিলেন৷ আশিসবাবু বলেন, “মাস ছয়েক আগে একটি অনুষ্ঠানে শ্রীমনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ফের ওর স্বপ্নের কথা মনে পড়ে যায়৷ এরপর একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে কথা বলি৷ তারাই যোগাযোগ করে এডিজি রাজেশ কুমারের সঙ্গে৷”

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement