Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বিজেপি প্রতিনিধিদের আটকানোর প্রতিবাদ, শনিবার ধর্মতলায় ধিক্কার মিছিল

নিহতর পরিবারকে চাকরি ও আর্থিক সাহায্যের দাবি বিজেপির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৭, ১১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৭, ১১:২৭

options
link
বিজেপি প্রতিনিধিদের আটকানোর প্রতিবাদ, শনিবার ধর্মতলায় ধিক্কার মিছিল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বসিরহাট যাওয়ার পথে বিরাটিতে আটক বিজেপি প্রতিনিধি দল। দলীয় নেতৃত্ব আটকে যাওয়ায় কলকাতায় প্রশাসনের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ বিজেপি সভাপতি রাজ্য দিলীপ ঘোষের। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার ধর্মতলায় ধিক্কার মিছিল করবে বিজেপি। বসিরহাটে হিংসায় নিহতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং পরিবারের একজনকে চাকরির দাবি জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

[মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন সত্ত্বেও গন্তব্য বসিরহাট, গ্রেপ্তার রূপা-লকেট]

মুখ্যমন্ত্রী আবেদন জানিয়েছিলেন। তারপরও বসিরহাট যাওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিল বিজেপি। শনিবার দুপুরে বিরাটির মাইকেলনগরে তাদের আটকায় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। বিরাটিতে বিজেপি প্রতিনিধিরা আটকে যাওয়ায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, অগণতান্ত্রিকভাবে বিজেপি প্রতিনিধিদের বাধা দেওয়া হয়। বিজেপি প্রতিনিধিদের যখন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের গালিগালাজ করে। এই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিলীপ। মানুষের পাশে দাঁড়াতেই বিজেপি প্রতিনিধিরা বসিরহাট যাচ্ছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

Advertisement

এই ঘটনার প্রতিবাদ শনিবার বিজেপি ধিক্কার মিছিল বের করবে। ধর্মতলায় দুপুর একটায় এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়ে রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপিও দেবেন বিজেপির প্রতিনিধরা। বিজেপি রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, বসিরহাটের অশান্তি রুখতে ব্যর্থ প্রশাসন। হিংসায় শুক্রবার নিহত হন কার্তিক ঘোষ। মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ও চাকরির দাবি জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি এই অশান্তিতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

[বসিরহাট নিয়ে রিপোর্ট নেই, রাজ্যের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কেন্দ্র]

সীমান্ত এলাকার এই হিংসায় বাংলাদেশের একাধিক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি জড়িত বলে অভিযোগ দিলীপ ঘোষের। তাঁর বক্তব্য, ধুলাগড়ের ঘটনা চেপে যেতে চেয়েছিল রাজ্য। বিজেপি বিষয়টি নিয়ে হইচই করার পর রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করে। দিলীপের দাবি, বসিরহাটের মানুষ প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ। পুলিশও আতঙ্কে রয়েছে। বসিরহাটের ঘটনায় গোটা রাজ্যে প্রতিক্রিয়া পড়েছে। নদিয়ার নাকাশিপাড়া এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে হিংসা ছড়াচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.