BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘জানলা খুললেই ভাইরাস চলে গেলে ভ্যাকসিন কী দরকার’? টুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: July 9, 2020 6:16 pm|    Updated: July 9, 2020 6:25 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জানলা খুলে রাখলে ভাইরাস চলে যায়, মুখ্যমন্ত্রীর মুখে একথা একাধিকবার শোনা গিয়েছে। বুধবারও নবান্নের সভাঘর থেকে সকলকে জানলা খুলে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করল বিজেপি। টুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে ‘এপিডেমিওলজিস্ট’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান।

শেষ কয়েকদিনে রাজ্যে করোনা (Corona Virus) সংক্রমিতের সংখ্যা হু হু করে বেড়েছে। যার জেরে কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে ফের লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা থেকে লাগু হয়েছে লকডাউনের নিয়ম। এর আগেই বুধবার নবান্নে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রত্যেকের অভাব-অভিযোগ শুনেছিলেন। তখনও আরও বেশি পিপিই ও রোগীদের জন্য ফেস শিল্ডের ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেন। এসি প্রসঙ্গ উঠলে, দ্রুতই তারও আয়োজন করা হবে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই সকলকে দরজা-জানলা খোলা রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

[আরও পড়ুন: সরকারি পুনর্বাসনের আশ্বাসে কাটল জট, পুজোর পর শুরু দেউচা পাচামি কয়লা খনির কাজ]

এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জানলা-দরজা খুলে রাখলে ভাইরাস চলে যায়। তাই প্রত্যেকে জানলা-দরজা খুলে রাখুন। হাসপাতালে এসির ব্যবস্থা হলেও, একটা নির্দিষ্ট সময় জানলা খুলতে হবে।” পাশাপাশি, এও জানান যে, তিনি গাড়ির কাঁচ খুলে যাতায়াত করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে তুলে ধরেই এদিন বিজেপি বেঙ্গলের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি টুইট করা হয়। সেটিকে রিটুইট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘এপিডেমিওলজিস্ট’ বলে কটাক্ষ করে প্রশ্ন করেন, “দরজা-জানলা খুললেই যদি ভাইরাস চলে যায় তবে ভ্যাকসিনের খোঁজ করার দরকার কী?” বিজেপির এই টুইট আক্রমণ ঘিরেই শুরু হয়েছে তরজা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। প্রসঙ্গত, SARS-CoV ভাইরাসের উপর তাপমাত্রার প্রভাব সংক্রান্ত একটি গবেষণার পর বলা হয়েছিল, তাপমাত্রা ও কম আর্দ্রতায় বেশি স্থিতিশীল হয় এ ধরনের ভাইরাস। এসি ঘরে আরও বেশিক্ষণ ভালভাবে বেঁচে থাকতে পারে। তবে করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে এখনও এধরণের কোনও তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

[আরও পড়ুন: কোভিড মোকাবিলায় বাংলার জন্য ৪২ হাজার লক্ষ টাকার প্যাকেজ ঘোষণা কেন্দ্রের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement