সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বারাকপুর শুটআউট কাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে প্রায় ১৮ ঘণ্টা। তা সত্ত্বেও অধরা দুষ্কৃতী। আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনায় শুরু জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্য সরকারকে তীব্র কটাক্ষ বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের। তাঁকে পালটা জবাব দেয় তৃণমূল।
ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজ্যজুড়ে বোমা-বন্দুকের খেলা চলছে। বোমা ফাটিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। মানুষ মারা যাচ্ছে। তৃণমূল নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। অন্যকে মারছে। পরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটানো হচ্ছে। যাতে সবাই ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে আর ওরা রাজত্ব করতে পারে। রাজ্যে প্রশাসন ভেঙে পড়েছে৷ তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাকে আফগানিস্তান তৈরি করতে চাইছে।”
[আরও পড়ুন: জেলে গিয়ে কুন্তলকে CBI জেরা, জবাবে প্রচুর অসঙ্গতি, প্রশ্ন এড়ানোর চেষ্টা!]
দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যকে মোটেও ভাল চোখে দেখছে না তৃণমূল। শান্তনু সেনের দাবি, “বিজেপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাই তারা যেকোনও ঘটনাকে ইস্যু তৈরি করছে। কথায় কথায় রাজ্য সরকারকে নিশানা করছে। রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট তৎপর। শুটআউটের ঘটনায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে, শুটআউটের ঘটনার প্রতিবাদে ধর্মঘটের পথে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। শনিবার ২৪ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক বারাকপুর-পলতার স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের। মিছিল করে বারাকপুর কমিশনারেট পর্যন্ত যাবেন তাঁরা। নিরাপত্তার দাবি জানাবেন ব্যবসায়ীরা।
[আরও পড়ুন: ইলিশ ১৬০০, খাসি ৮৫০, জামাইষষ্ঠীর সকালে পকেট ফাঁকা শ্বশুরের]
সর্বশেষ খবর
-
‘বলিদান নয়, দেশের চাই আপনার জ্ঞান’, সোনমকে অনশন ভাঙার অনুরোধ বিরোধী সাংসদদের
-
পদ শূন্য হওয়ার আগেই করতে হবে নিয়োগ, কড়া নির্দেশিকা মুখ্যসচিবের
-
‘ঘোর পাপ’, মোদির নিন্দার পরেই নিটের প্রশ্ন ফাঁসে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র, সরবেন ধর্মেন্দ্র?
-
সমর্থন তৃণমূলের ৪ সদস্যর, ঝালদার গ্রাম পঞ্চায়েত দখল বিজেপির
-
রাস্তা বন্ধ করে ২১ জুলাই, ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র বিরুদ্ধে হেস্টিংস থানায় অভিযোগ