২৪ চৈত্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

পুলিশি অত্যাচার করে কর্মীদের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে তৃণমূল, সরব কৈলাস

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: February 27, 2020 9:35 am|    Updated: February 27, 2020 9:35 am

An Images

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: মিথ্যা মামলা দিয়ে, পুলিশি অত্যাচার চালিয়ে পুরভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার নতুন কৌশল নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার রাজ্য বিজেপি দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

চলতি সপ্তাহের শেষেই রাজ্যে পা রাখার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর। তার আগে হিসেব কষেই উর্দি পরে রাজনীতি করার অভিযোগ এনে রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। কৈলাসের অভিযোগ, রাজ্যে পুরনির্বাচন ঘোষণা হতে চলেছে। তার ঠিক আগেই সম্ভাব্য বিজেপির প্রার্থী, ভাল কার্যকর্তাদের উপর মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাঁদের মারধর করছে পুলিশ। টানা পনেরোদিন আটকে রেখে মারধর করে মামলা না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। জবরদস্তি তৃণমূলে যোগ দেওয়াতে চাইছে। এভাবেই পুরভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের কোমর ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের নাম করে অভিযোগ করেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এরকম হলে ব্যবস্থা নিতে আমরা দেরি করব না। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকদের একাংশের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন বিজয়বর্গীয়। তাঁর হুঁশিয়ারি, “শাসকদলের হয়ে কাজ করে রাজনীতি করছেন পুলিশ আধিকারিকরা। যাঁরা এসব করছেন শুনে রাখুন, বাংলা থেকে তৃণমূল সরকার চলে যাবে। বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তখন ওই সমস্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

[আরও পড়ুন: শহিদ মিনারে অমিতের সভায় মুসলিম কর্মীদের ফেজটুপি পরে আসার নির্দেশ বঙ্গ বিজেপির]

সামনেই রাজ্যে পুরসভার নির্বাচন। কলকাতা কর্পোরেশনেরও ভোট রয়েছে। প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে বিজেপিও। এই পরিস্থিতিতে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বক্তব্য, অবাধ ভোট যদি হয় তাহলে বিজেপি জিতবে। কিন্তু তৃণমূল ও পুলিশ মিলে অবাধ ভোট হতে দেবে না। তাঁর বক্তব্য, “স্থানীয় প্রশাসনে নির্বাচন বাংলায় কীভাবে হয় তা আমরা আগেই দেখেছি।” এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের আসন্ন পুরভোটে সক্রিয় হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে পাশে বসা দিলীপ ঘোষ ও মুকুল রায়কে দেখিয়ে বিজয়বর্গীয়র ইঙ্গিতপূ্র্ণ মন্তব্য, “এ বিষয়ে দলের দুই শীর্ষনেতা দিলীপদা ও মুকুলদা কিছু ভাবনা-চিন্তা করেছেন। সেটা নিয়ে আমরা বৈঠকে আলোচনা করব।” যদিও কী সেই পরিকল্পনা তা খোলসা করেননি তিনি। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কৈলাস ছাড়াও ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য মুকুল রায় প্রমুখ।

Advertisement

Advertisement

Advertisement