Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বিজেপির মোমবাতি মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার হাজরায়, গ্রেপ্তার লকেট

খড়দহে দলীয় কর্মীর স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মোমবাতি মিছিলের আয়োজন করে রাজ্য বিজেপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০১৯, ১৮:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০১৯, ১৮:৫৪

options
link
বিজেপির মোমবাতি মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার হাজরায়, গ্রেপ্তার লকেট zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিজেপির মোমবাতি মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার হাজরায়। দিনের ব্যস্ত সময়ে প্রায় আধ ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে যায় এই এলাকা। প্রায় আধঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর হাজরা চত্বর থেকে বিজেপি কর্মীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। বাধা দিলে বেশ কিছু বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কেও।

[গৃহবধূকে নির্মীয়মাণ বহুতলে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ, খড়দহে চাঞ্চল্য]

গত বৃহস্পতিবার খড়দহের পাতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবমন্দিরের কাছে বছর চল্লিশের এক মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ৷ বিজেপির দাবি, ওই মহিলা তাদের দলের এক কর্মীর স্ত্রী। স্বামী বিজেপি করার অপরাধেই গণধর্ষণ করা হয়েছে তাঁকে। খড়দহের সেই গণধর্ষণের প্রতিবাদেই এদিন ভবানীপুর থেকে একটি মোমবাতি মিছিলের আয়োজন করে রাজ্য বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পর্যন্ত যাওয়ার কথা ছিল সেই মিছিল। নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। মিছিল হাজরা মোড়ে পৌঁছালে বাধা দেয় পুলিশ। বাধা পেয়ে হাজরা মোড় অবরোধ  করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তিও শুরু হয়। অবরোধ হটাতে হাজরা মোড় থেকে গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কেও। বিজেপির অভিযোগ, দিলীপ ঘোষকেও গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করেছিল পুলিশ।

Advertisement

[বাড়ছে অধ্যাপক ও উপাচার্যের অবসরের বয়সসীমা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

দিলীপ ঘোষকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করা হলে তিনি ঘটনাস্থলেই বসে পড়েন। তাঁকে আর শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। রাজ্য নেতাদের দাবি, প্রচুর মহিলা-সহ তিনশোরও বেশি বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সায়ন্তন বসুর বক্তব্য, “আমাকেও গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আমরা আর কোথাও কোনও কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতি নেব না।” এদিকে এই ধুন্ধুমার পরিস্থিতির জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা অবরূদ্ধ থাকে হাজরা চত্বর। বেশ কিছুক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হয় দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.