রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের বিদ্রোহীদের নিয়ে অস্বস্তিতে বঙ্গ বিজেপি (BJP)। সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের বিরুদ্ধে যাঁরা কথা বলছেন সেই সমস্ত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার কথা ভাবছে দল। প্রয়োজনে তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়েও দেওয়া হতে পারে। শুক্রবার দলের কিষান মোর্চার রাজ্য পদাধিকারী বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই ইঙ্গিত দিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী।
বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2021) বিপর্যয়ের পর গেরুয়া শিবিরে বিক্ষুব্ধদের সংখ্যা বেড়েছে। প্রকাশ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দলবিরোধী কথা বলছেন অনেকে। শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সমালোচনাও চলছে। সূত্রের খবর, সে প্রসঙ্গেই এদিন অমিতাভ চক্রবর্তী বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা দলবিরোধী কথা বলছেন, এক নেতা অন্য নেতার সমালোচনা করছেন তাঁদের চিহ্নিত করতে হবে। প্রয়োজনে তাঁদের দায়িত্বমুক্ত করতে হবে।” শুক্রবার বিজেপির হেস্টিংস কার্যালয়ে দলের কিষাণ মোর্চার রাজ্য কার্যকারিণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দিলীপ ঘোষ, অমিতাভ চক্রবর্তী ছাড়াও ছিলেন কিষাণ মোর্চার বর্তমান রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার প্রমুখ।
[আরও পড়ুন: বালিবোঝাই চলন্ত লরিতে আগুন, বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ব্যাপক যানজট]
কিষান মোর্চার রাজ্য কার্যকারিণী সভা থেকে আগামী দিনে রাজ্যে কৃষক আন্দোলন কোন পথে হবে তা নিয়ে কোনও আলোচনা উঠে আসেনি। সূত্রের খবর, কোন কোন জেলায় কৃষক সংগঠনের কী অবস্থা তা নিয়েও কোনও রিপোর্টিং হয়নি। শুধু শীর্ষ নেতাদের ভাষণ ছাড়া, সংগঠনের অবস্থা নিয়ে জেলাভিত্তিক কেউ বক্তব্য রাখার সুযোগ পায়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা যাতে রাজ্যের সমস্ত কৃষক পান সেটা দেখার দায়িত্ব দলের কৃষক সংগঠনের উপর দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। দিলীপবাবুর অভিযোগ, কৃষক নয় এমন কিছু তৃণমূল ক্যাডারের নাম কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের তালিকায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ৯ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য জানান, কৃষকদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে ও কৃষকরা যাতে সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পান তা নিয়ে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জেলায় জেলায় আন্দোলন কর্মসূচি করবে কিষান মোর্চা। বাংলায় দল ক্ষমতায় না আসায় তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা অনেকেই আবার পুরনো দলে ফিরে যাচ্ছেন। এটা স্বীকার করে নিয়েই দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন ক্ষমতার পরিবর্তন হবে। তাই বহু মানুষ এসেছিলেন। অনেকে ক্ষমতার সঙ্গে থাকার জন্য এসেছিলেন। লক্ষ লক্ষ এসেছিলেন, চারশো-পাঁচশো যাচ্ছেন, এটাই পার্থক্য। এদিকে, ইংলিশবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে দলের মহিলা মোর্চার জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: তিন পড়ুয়াকে ‘অকারণে’ বহিষ্কারের প্রতিবাদ, প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে ঘেরাও বিশ্বভারতীর উপাচার্য]
সর্বশেষ খবর
-
মেসির মায়ামিতে নিষ্প্রভ রোনাল্ডো! কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ড্র’য়ে নকআউটে কঠিন লড়াইয়ে পর্তুগাল
-
রেকর্ড বুকে কেন, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, জিতেও নকআউটে কঠিন লড়াইয়ে ক্রোয়েশিয়া
-
সিআইডি সেজে ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্য রাস্তা থেকে অপহরণ করে ডাকাতি, তদন্তে পুলিশ
-
‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণে কাঁপল করাচির সেনা দপ্তর, চলল গুলি, মৃত্যু তিন পাক সেনার
-
লেনিন নয়, হৃদয় সম্রাট শিবাজি! ‘লাল’ যাদবপুরে পালিত ‘হিন্দু সাম্রাজ্য দিবস’