Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

একুশের আগে বঙ্গে জনসংযোগে জোর, পুজো উদ্বোধনে আজ শহরে অমিত শাহ

রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বকে ছকে দেবেন বিধানসভার রোড ম্যাপও৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৯, ০৯:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৯, ০৯:০৫

options
link
একুশের আগে বঙ্গে জনসংযোগে জোর, পুজো উদ্বোধনে আজ শহরে অমিত শাহ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা উৎসবমুখর। এই পরিসরে আজ, মঙ্গলবার শহরে পা রাখছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুরে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে সভা করবেন তিনি। লক্ষ্য বাংলায় এনআরসি চালু করা। আর সেই দাবিকে জোরালো করতেই আজ নাগরিকপঞ্জি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সভা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

[ আরও পড়ুন: পুজোর মুখে শহরে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে খিদিরপুরের ফ্যান্সি মার্কেট ]

Advertisement

অন্যদিকে, তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই সভাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়ক তথা বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। তাঁর যোগদান নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা ছিল। আজ যার অবসান হতে চলেছে। নিজের যোগদান নিয়ে সব্যসাচীর মন্তব্য, ‘এটা পুজোর বোনাস’। সভা শেষে এদিন ইন্ডোরেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক বৈঠক সেরে নেবেন শাহ। তার পরই চলে যাবেন সল্টলেকে বি জে ব্লকের দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে। একদিনের ঝটিকা সফর শেষ করে রাতেই বিশেষ বিমানে উড়ে যাবেন দিল্লি। দলীয় সূত্রে খবর, উৎসবের এই আবহে অমিত শাহকে বাংলায় নিয়ে আসার কারণ দ্বিমুখী। প্রথম কারণ অবশ্যই এনআরসি চালুর দাবি তুঙ্গে তুলে কালীপুজোর পর থেকে বাংলায় জমি তৈরি করা। বিজেপি নেতৃত্ব বাংলায় এনআরসি চালুর পক্ষে লাগাতার সওয়াল করে চলেছে। বিরোধিতা করে পথে নেমেছে তৃণমূল। রাজনৈতিক দ্বৈরথ তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে এনআরসি নিয়ে অমিত শাহ কী বার্তা দেন সেদিকে নজর রাজনৈতিক মহলের। দলে শাহর প্রধান সেনাপতি জে পি নাড্ডা ইতিমধ্যে কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে কার্যত গোলাবর্ষণ করে গিয়েছেন।

[ আরও পড়ুন: নুসরতের স্বামীকে প্রতারণার অভিযোগ, গুজরাট থেকে ধৃত ১ ]

সেই পটভূমিতেই শাহ আজ বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর আরও চড়াতে পারেন। ইন্ডোরের সভা শেষে দলের রাজ্য পদাধিকারী, সমস্ত জেলার সভাপতি ও মণ্ডল সভাপতিদের নিয়ে বৈঠক করবেন শাহ। সংগঠনের হালহকিকত জানবেন। যার প্রস্তুতি নিয়েই শাহর বৈঠকে যাচ্ছে রাজ্য নেতৃত্ব। পুজোর কলকাতায় শাহর পদার্পণের আরও একটি কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক শীর্ষনেতা। কারণ, উৎসবের আবহের মাঝেও বিজেপিকে বাংলায় প্রাসঙ্গিক করে রাখা। সে কারণেই অমিত শাহকে দিয়ে সল্টলেকের বি জে ব্লকের পুজোর উদ্বোধনও করানো হবে তৃতীয়ার সন্ধ্যায়। সাংসদ থেকে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবার কলকাতা শহরতলি ও বিভিন্ন জেলায় একাধিক পুজোর উদ্বোধন করবেন। পুজোকে সামনে রেখে জনসংযোগ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির। শাহকে দিয়ে পুজো উদ্বোধন করে সেই বার্তাই দিতে চাইছে গেরুয়া শিবির। এই পর্বেই তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচীর বিজেপিতে যোগদান বাড়তি মাত্রা যোগ করছে।

[ আরও পড়ুন: আরও সুগম জোটের রাস্তা, গান্ধীজয়ন্তীর আগে প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরে বাম-নেতৃত্ব ]

যোগদানের একদিন আগে সব্যসাচী জানিয়েছেন, “এটা পুজো বোনাস।” কাকে উদ্দেশ করে এ কথা বললেন? জবাবে স্রেফ হাসেন প্রাক্তন মেয়র। তাঁর বক্তব্য, “বিজেপিতে গিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব। আমার সঙ্গে কারও কোথাও কোনও সমস্যা নেই।” তাঁর সঙ্গে যোগ দিতে পারেন আরও দুই কাউন্সিলর। তবে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা তিনি এখনই দেবেন না বলে জানিয়েছেন। এ নিয়ে মুকুল রায় ও বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ একযোগে জানিয়েছেন, “অনেকদিন ধরেই সব্যসাচী যোগ দিতে চাইছিলেন। সম্ভবত মঙ্গলবার তিনি যোগ দিচ্ছেন।” তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া, “অনেকদিন ধরেই শুনছি যাবে। আগে যাক। সবদিকেই নজর রয়েছে।” মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিমানে কলকাতায় নামবেন অমিত শাহ। ইন্ডোরে তাঁর সভা দুপুর তিনটে থেকে সাড়ে ছ’টা পর্যন্ত। সাড়ে সাতটায় পৌঁছবেন সল্টলেক বি জে ব্লকের পুজোর উদ্বোধনে। কর্মসূচি সেরে রাত ৮টা ৫০-এ উড়ে যাবেন দিল্লি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.