সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বঙ্গ বিজেপির ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন ঘিরে তুলকালাম। সুকান্ত মজুমদারের বাইক মিছিলে দফায় দফায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। ভবানীপুরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীরা ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এর আগে বৃহস্পতিবার বজবজেও বিক্ষোভের শিকার হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
শুক্রবার রাজ্য বিধানসভা থেকে সোজা রেড রোডে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। আর সুকান্ত মজুমদার ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মজুমদারের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করতে যান। বিজেপি রাজ্য সভাপতি বাইকে করে কিছুটা এগনোমাত্র তাঁকে বাধা দেয় পুলিশ। বাধা অতিক্রম করে ক্রমশ এগোতে থাকেন সুকান্ত। বাইকে চড়ে নেতাজি ভবন হয়ে ক্রমশ ভবানীপুরের দিকে যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি। ইতিমধ্যে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ভবানীপুর চত্বরে কার্যত তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাস্তায় যানজট তৈরি হয়। যদিও বিশাল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সব বাধা পেরিয়ে শেষমেশ শ্যামাপ্রসাদ মজুমদারের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন সুকান্ত।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ সুকান্ত বলেন, “ভারতের পতাকা নিয়ে মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। মনে হয় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নয়, বাংলাদেশ পুলিশ। আমার মাটি, আমার মা বাংলাদেশ হবে না।” পালটা তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “যে যা পারে করুক, তাতে কিছু যায় আসে না।” বলে রাখা ভালো, ১৯৪৭ সালে এই দিনে রাজ্য বিধানসভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে অবিভক্ত বাংলাকে ভাগ করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। সে কারণে বিজেপি ওই দিনটিকেই রাজ্য দিবস হিসাবে পালন করে। যদিও এই দিনটিকে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ বলে পালনে আপত্তি রয়েছে রাজ্য় সরকারের।
সর্বশেষ খবর
-
বিপর্যয়ের আগে ‘টিকটক’ ভিডিও! নেপালে মা-পিসির খোঁজে হন্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণী
-
দুর্গাপুরের ভাঙা হল নেহরুর মূর্তি! ‘পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিস্থাপন’, পুলিশকে ডেডলাইন কংগ্রেসের
-
আইএসএলের আগে বিরাট চমক, প্রাক্তন মোহনবাগানিকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল
-
‘কেউ যেন আমাকে…’, মধ্যরাতে কলকাতায় ভূতুড়ে কাণ্ড! হাড়হিম অভিজ্ঞতা রণজয়ের
-
ব্যর্থ হলেও মার্কশিটে লেখা থাকবে না ‘ফেল’ শব্দটি, পড়ুয়াদের মনোবল বাড়াতে নয়া ভাবনা বিহার সরকারের