Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
BJP west Bengal

‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে মরিয়া, বাংলা নববর্ষে রাজ্যজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির

পয়লা বৈশাখ উদযাপন নিয়েও আদি নব্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৫, ১১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৫, ১১:৩৮

options
link
‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে মরিয়া, বাংলা নববর্ষে রাজ্যজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির zoom
Advertisement

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: ঘটা করে রামনবমী উদযাপন করে বঙ্গে রাম আবেগ তৈরির চেষ্টা হয়েছে। ছত্রপতি শিবাজীকেও বাঙালি মননে প্রবেশ করানোর চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত বিশেষ সাফল্য আসেনি। বস্তুত বাংলার মনে হিন্দুত্ব জাগাতে ভিনরাজ্যের হিন্দু বীর দিয়ে যে বিশেষ কাজ হচ্ছে না, সেটা সম্ভবত অনুধাবন করতে পেরেছে আরএসএস এবং বঙ্গ বিজেপি। উলটে ব্যাপকভাবে সেঁটে গিয়েছে ‘বহিরাগত’ তকমা। সেই তকমা ঘোচাতে এবার পয়লা বৈশাখকে হাতিয়ার করতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। শোনা যাচ্ছে, বাঙালি মননের সঙ্গে নিজেদের একাত্ম করতে এবার ঘটা করে বাংলার নববর্ষ উদযাপন করতে চলেছে গেরুয়া শিবির।

সূত্রের দাবি, বিজেপির তরফে ইতিমধ্যেই মণ্ডল স্তরে নির্দেশিকা পাঠিয়ে নববর্ষ পালন বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ‘বাধ্যতামূলক’ ভাবে প্রভাতফেরি করতে হবে। সন্ধ্যায় বুথে বুথে মঞ্চ বেঁধে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পথ নাটিকা-সহ বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে হবে। বাংলা নববর্ষে এমন নির্দেশ বেনজির।

Advertisement

নববর্ষ এবং হিন্দুত্বকে মিশিয়ে দেওয়ারও একটা চেষ্টা হচ্ছে। মহারাজ শশাঙ্ককে বাংলার হিন্দু জাগরণের প্রতীক হিসাবে তুলে ধরে প্রচার শুরু করছে বিজেপি। বাংলার সালগণনা অর্থাৎ বঙ্গাব্দ গণনার প্রবর্তক কে? এ নিয়ে দ্বিমত আছে ইতিহাসবিদদের। কেউ কেউ মনে করেন, বঙ্গাব্দের প্রবর্তক ছিলেন শশাঙ্ক। কারও কারও মতে, মোগল সম্রাট আকবর বঙ্গাব্দের প্রবর্তক। কিন্তু গত কয়েক বছরে বিজেপি তথা আরএসএসের একাংশ বাংলায় জোরের সঙ্গে প্রচার করেছে বঙ্গাব্দের সূচনা করেছেন শশাঙ্কই। তাঁর রাজ্যাভিষেকের সময় থেকেই বঙ্গাব্দ গণনা শুরু। সেটা প্রমাণ করতে গত কয়েক বছর ধরে কল্পিত ছবি দিয়ে ক্যালেন্ডার প্রকাশ করছে সংঘ। শোনা যাচ্ছে, পয়লা বৈশাখ ঘটা করে এবারও শশাঙ্ককে নিয়ে শোভাযাত্রা করা হবে।

তবে এই পয়লা বৈশাখ উদযাপন নিয়েও আদি নব্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। কলকাতাজুড়ে বিজেপির তরফে যে নববর্ষের শুভেচ্ছা সূচক পোস্টার বা ব্যানার পড়েছে, তাতে নব্য নেতাদের মুখ নেই। সেই পোস্টার-ব্যানারে শুধুই পুরনো নেতাদের ছবি। আদি বিজেপি নেতা নারায়ন চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “বহিরাগতরা এসে পার্টিকে হাইজ্যাক করছে। তাই পুরোনোদের বেশি করে দরকার পার্টিতে।” এই নারায়ণের উদ্যোগেই শহরের নানা প্রান্তে আদি বিজেপি নেতাদের ছবি দিয়ে ফ্লেক্সে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.