Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সেতু কারও একার নয়, দায় নেবে না কেউই!

তাহলে দায় কার?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮, ১৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮, ১৯:৪২

options
link
সেতু কারও একার নয়, দায় নেবে না কেউই! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘রথ ভাবে আমি দেব, পথ ভাবে আমি, মূর্তি ভাবে আমি দেব… কিন্তু অন্তর্যামী কী হাসছেন? না হয়তো। এমন ঘটনার পর হাসি তো শয়তানের মুখেও ফোটে না। তিনি তো অন্তর্যামী। সবকিছুর অন্তরালে তাঁর কান্নার রোল হয়তো ঢেকে পড়ছে মৃত সৌমেন বাগের পরিবারের কান্নায়। না এখানে কেউ নিজেকে ‘দেব’ ভাবছেন না। বরং, সকলেই ভাবছে কীভাবে অন্যের ঘাড়ে দায়টা ঠেলে দেব।

[মাঝেরহাট সেতু বিপর্যয়: স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু কলকাতা পুলিশের]

সেতুভঙ্গের দায় কার? মাঝেরহাট কাণ্ডের পর প্রথম এই প্রশ্নটিই হয়তো ভেসে এসেছিল শহরবাসীর মনে। শহরের লাইফ-লাইন, যে সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ যাতায়াত করেন, সবার অলক্ষ্যে সেই সেতুরই এই জীর্ণদশা কী করে হল? কাউকে তো দায় নিতেই হবে। অবশ্যম্ভাবীভাবে উঠে আসে রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের নাম। যেহেতু সেতুটিতে রেলেরও অংশ আছে তাই নাম ভাসে রেলেরও। আবার পাশে মেট্রোর কাজ চলায় মেট্রো কর্তৃপক্ষকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করায় অনেকে।

Advertisement

এবার দেখা যাক ঘটনার পর কোন শিবিরের কী প্রতিক্রিয়া। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন ছিলেন দার্জিলিংয়ে। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান এই ঘটনায় উদ্বেগপ্রকাশ করবেন সেটাই স্বাভাবিক। মুখ্যমন্ত্রী করলেনও তাই। খোঁজ খবর নিলেন, আধিকারিকদের নির্দেশ দিলেন কড়া নজরদারির। কিন্তু পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কথায় আভাস মিলল যেন যত দোষ মেট্রো কর্তৃপক্ষের। তৃণমূলের ছোটখাটো নেতারাও সোশ্যাল মিডিয়ায় মেট্রো কর্তৃপক্ষের উপর দায় চাপানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করে গেলেন। রেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য আগেই নিজেদের কাজ সেরে ফেলেছিলেন। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই রেলের তরফে, ‘ও সেতু আমার নয়, সুতরাং আমার কোনও দায় নেই’ গোছের একটি বিবৃতি জারি করা হয়। মেট্রো কর্তৃপক্ষ গতকালই জানিয়ে দিয়েছিল তাদের কোনও দায় নেই। মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্রিজ ভেঙে পড়ার সঙ্গে মেট্রোর কাজের কোনও সম্পর্ক নেই। এসবের মধ্যে আবার চতুর্থ পক্ষ বিরোধীরা যতদূর সম্ভব সরকারকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে। অথচ ব্রিজের যখন বেহাল দশা ছিল এরা কেউই আন্দোলন করতে আসেননি।

[পোস্তার পর মাঝেরহাট, পরপর ব্রিজ বিপর্যয়ে দায়ের জনস্বার্থ মামলা]

মোদ্দা কথা যা দাঁড়াল তাতে, একটি ব্রিজ ভেঙেছে। তাঁর জন্য আমরা সবাই দুঃখিত, কিন্তু এর জন্য আমরা কেউই দায়ী নয়। মানুষের ভোগান্তি যেন গৌণ, একে অন্যের উপরে দায় চাপানোটাই আসল। নাহলে ভোট রাজনীতির বাজারে অন্যেরা পিছনে ফেলে এগিয়ে যাবে তো…

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.