Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bratya Basu

‘হ্যামলেট নয়, ওঁকে ম্যাকবেথ বা সিজারের মতো লাগছে’, রাজ্যপালকে তোপ ব্রাত্যর

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ এনেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৩, ১৫:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৩, ১৫:৪৩

options
link
‘হ্যামলেট নয়, ওঁকে ম্যাকবেথ বা সিজারের মতো লাগছে’, রাজ্যপালকে তোপ ব্রাত্যর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজভবন-নবান্নের সম্পর্কে টানাপোড়েনে এবার শেক্সপিয়রের সাহিত্যের মোড়ক। গতকালই রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের মন্তব্য়ে উঠে এসেছিল হ্যামলেটের কথা। বলেছিলেন, “রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট দেখা দিলে হ্যামলেটের মতো বসে থাকব না।” এবার রাজ্যপালের সঙ্গে শেক্সপিয়রের আরও দুই চরিত্র ম্যাকবেথ ও জুলিয়াস সিজারের তুলনা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)।

সোমবার জোড়াসাঁকোয় রবীন্দ্রভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বলেছিলেন, “রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট দেখা দিলে হ্যামলেনেটর বসে থাকব না। হ্যামলেটের মতো টু বি অর নট টু বি সংশয় নিয়ে বসে থাকব না।” তাঁর মন্তব্যের পালটা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন রাজ্যপালকে পালটা দিলেন ব্রাত্য বসু। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, “হ্যামলেট নয়, রাজ্যপালকে বরং ম্যাকবেথ বা জুলিয়াস সিজারের মতো লাগছে।” গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের লাগাতার তলব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জমা খরচের হিসেব চাওয়ায় রাজ্যপালকে একহাত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গ্রেপ্তার ইমরান খান, রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ইসলামাবাদ হাই কোর্ট]

মঙ্গলবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়ে রাজ্য এবং রাজ্যপালের সংঘাতের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে শিক্ষামন্ত্রী বক্তব্যে। তাঁর কথায়, “ক্ষমতা গ্রাস করার এক মানসিকতা দেখা যাচ্ছে ওঁর (সি ভি আনন্দ বোস) মধ্যে। আমরা চাইছি আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে কাজ করতে। কিন্তু উনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করছেন। তাঁদের অনেকের ১০ বছরের অভিজ্ঞতা নেই।” ব্রাত্যর অভিযোগ, “উনি নিজেই নিয়মের কথা বলেন। কিন্তু নিজেই নিয়ম ভাঙছেন।” এদিন রাজ্যপালকে আক্রমণ করতে গিয়ে কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তর কবিতাকে হাতিয়ার করেন ব্রাত্য। বলেন, “অথিল খুদায় শেষে কি নিজেকে খাবে? ফাটা ডিমে তা দিয়ে কী আর ফল পাবে, মনস্তাপেও লাগবে না ওতে জোড়াা।”

উল্লেখ্য, ধনকড় পরবর্তী জমানায় রাজভবন-নবান্নের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার নিরিখে সেই ছবিটা বদলে গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহেই মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ? ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.