Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
BSF

সীমান্ত থেকে নিষিদ্ধ কাশির ওষুধ পাচারে যুক্ত বিএসএফ কর্তারা? দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তে সিবিআই

বিএসএফ অফিসাররাই পাচারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দোষারোপ করছেন নিচুস্তরের বিএসএফ কর্মীদের? খোঁজা হচ্ছে উত্তর।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:৪৭

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:৪৭

options
link
সীমান্ত থেকে নিষিদ্ধ কাশির ওষুধ পাচারে যুক্ত বিএসএফ কর্তারা? দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তে সিবিআই zoom
সীমান্তে পাহারায় জওয়ানরা। ফাইল ছবি

প্রমাণ নষ্ট করেছে বিএসএফ? কয়েকজন বিএসএফ (BSF) অফিসার কি নিজেরাই পাচারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দোষারোপ করছেন নিচুস্তরের বিএসএফ কর্মীদের? ২০০৮ সালের সীমান্ত থেকে নিষিদ্ধ কাশির ওষুধ পাচার মামলায় বিএসএফ কর্তাদের কার্যকলাপের বিরুদ্ধেই তদন্ত শুরু করল সিবিআই। দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি কলকাতার অফিসে সিবিআই মামলা দায়ের করেছে। তারই ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

সিবিআইয়ের সূত্র জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর এই ঘটনার সূত্রপাত। মুর্শিদাবাদের দয়ারামপুর বর্ডার আউটপোস্টে কর্মরত ছিলেন বিএসএফের দুই কনস্টেবল বি ভেঙ্কটস্বামী ও তারসেম সিং। এক পাচারকারীর কাছ থেকে তাঁরা ৭৫ বোতল নিষিদ্ধ কাশির ওষুধ বাংলাদেশে পাচারের আগেই উদ্ধার করেন বলে বিএসএফ কর্তাদের জানান। তাঁদের কাজে খুশি হওয়া অথবা উদ্ধার হওয়া মাদকের ব‌্যাপারে আইনি ব‌্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে কয়েকজন বিএসএফ আধিকারিক তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন। দাবি করেন, তাঁরা মিথ‌্যা রিপোর্ট করেছেন। পরে দুই কনস্টেবল দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করে জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে ওই বিএসএফ কর্তারা অভিযোগ আনতে নথি ও প্রমাণ নষ্ট করেছেন। তাঁরা দুই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মিথ‌্যা রিপোর্ট করে দাবি করেছিলেন, তাঁরাই পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ওই কর্তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে বিএসএফ কর্তারা তদন্ত শুরু করেন।

Advertisement

বিএসএফ আইনে ২০০৯ সালের ৫ মে তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। তাঁদের আবেদন গ্রাহ‌্য করা হয়নি। এই ব‌্যাপারে বরখাস্ত হওয়া দুই বিএসএফ জওয়ান দিল্লি হাই কোর্টে গিয়ে বিচার চেয়ে আবেদন জানান। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দিল্লি হাই কোর্ট নির্দেশে জানান যে, এই ব‌্যাপারে আরও অনেক তদন্তের প্রয়োজন। পেশ হওয়া কয়েকটি নথি নিয়ে বিচারপতি সন্দেহ প্রকাশ করেন। দিল্লি হাই কোর্ট মন্তব‌্য করে, এটি শুধু দু’জনের আবেদনের ভিত্তির মামলা নয়, এর সঙ্গে বিএসএফের নথি ও তথ‌্যপ্রমাণ নষ্টের বিষয়টি যুক্ত। কয়েকজন বিএসএফ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠে এসেছে। আবার কয়েকজন আধিকারিক, যাঁরা সীমান্তে পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকতেও পারেন, তাঁরা অন‌্য আধিকারিকদের উপর দোষ চাপাচ্ছেন, এমন অভিযোগও রয়েছে। আদালত সিবিআইকে এই ব‌্যাপারে তদন্তের নির্দেশ দেয়। তার ভিত্তিতেই সিবিআই অজ্ঞাতপরিচয় বিএসএফ আধিকারিক ও অন‌্য অজ্ঞাতপরিচয় ব‌্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। সিবিআইয়ের কলকাতার দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা এই ব‌্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে। তারই ভিত্তিতে কয়েকজনকে তলব করে জেরা শুরু হবে ও আধিকারিকরা দয়ারামপুরের ঘটনাস্থলেও যেতে পারেন বলে জানিয়েছে সিবিআই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.