Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Water Supply Issue

দক্ষিণ কলকাতার জলকষ্ট মেটাতে তৎপর পুরসভা, দ্রুত ফারতাবাদ জলপ্রকল্পের কাজ শেষের ভাবনা

ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ফারতাবাদ ও ধাপার জল প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বাইপাস ও দক্ষিণ কলকাতার জলের সমস্যা মিটবে। এছাড়া গার্ডেনরিচ ময়লা ডিপোতে ৪০ এমজি জল প্রকল্প তৈরি করা হবে। এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে ২৫ বছর পরও শহরে জল সংকট থাকবে না।

Advertisement
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:১৭

link
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৬:১৭

options
link
দক্ষিণ কলকাতার জলকষ্ট মেটাতে তৎপর পুরসভা, দ্রুত ফারতাবাদ জলপ্রকল্পের কাজ শেষের ভাবনা zoom
ফাইল ছবি।

গরমে দক্ষিণ কলকাতায় জল সংকট (Water Supply Issue) দূর করতে ফারতাবাদের জল প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করতে চাইছে কলকাতা পুরসভা। মহানগরে পানীয় জলের সংকট আগের থেকে কমেছে। মূলত দক্ষিণ কলকাতা ও ইএম বাইপাসের কিছু এলাকায় পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাব রয়েছে। জলের চাহিদা মেটাতে গড়িয়া ঢালাই ব্রিজের কাছে ফারতাবাদে ১০ মিলিয়ন গ্যালন ক্ষমতাসম্পন্ন জলশোধনাগার তৈরি করছে পুরসভা। সেইসঙ্গে ধাপায় ২০এমজি আর একটি জলশোধনাগার প্লান্টের কাজ চলছে। এই গ্রীষ্মে দুই জল প্রকল্পের কাজ শেষ করতে চাইছে পুরসভা। ইতিমধ্যে ফারতাবাদ জল প্রকল্পের কাজ অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। পাইপলাইন পাতার কাজ চলছে। মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে ফারতাবাদ জল শোধনাগার থেকে জল সরবরাহ করা যাবে বলে আশাবাদী জল সরবরাহ দপ্তরের আধিকারিকরা। তবে ধাপার ২০ এমজি জল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে আধিকারিকরা মনে করছেন। 

বর্তমানে গার্ডেনরিচ, পলতা, ধাপা, ওয়াটগঞ্জ, জোড়াবাগান- এই পাঁচ জলশোধনাগার থেকে ৫১৫ মিলিয়ন গ্যালন জল প্রতিদিন শহরে সরবরাহ করে থাকে পুরসভা। গার্ডেনরিচ থেকে সরবরাহ হয় ২১০ এমজি, পলতায় ২৬২ এমজি, ধাপায় ৩০ এমজি, ওয়াটগঞ্জে ৫ এমজি এবং জোড়াবাগানে ৮ এমজি। গার্ডেনরিচের ময়লা ডিপোতে নতুন একটি জল প্রকল্প হাতে নিয়েছে পুরকর্তৃপক্ষ। ৪০ এমজি ক্ষমতাসম্পন্ন জল শোধনাগার করার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ফারতাবাদ ও ধাপার জল প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বাইপাস ও দক্ষিণ কলকাতার জলের সমস্যা মিটবে। এছাড়া গার্ডেনরিচ ময়লা ডিপোতে ৪০ এমজি জল প্রকল্প তৈরি করা হবে। এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে ২৫ বছর পরও শহরে জল সংকট থাকবে না।

Advertisement

মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ফারতাবাদ ও ধাপার জল প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বাইপাস ও দক্ষিণ কলকাতার জলের সমস্যা মিটবে। এছাড়া গার্ডেনরিচ ময়লা ডিপোতে ৪০ এমজি জল প্রকল্প তৈরি করা হবে। এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে ২৫ বছর পরও শহরে জল সংকট থাকবে না।

একটা সময় শহরে তীব্র জল সংকট ছিল। মূলত দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দারা জলকষ্টে ভুগতেন। ভূগর্ভস্থ জলই তাদের ভরসা ছিল। তৃণমূল পুরবোর্ড ক্ষমতায় আসার পর শহরবাসীর জলকষ্ট অনেকটা কমিয়েছে। তবুও বেহালা, টালিগঞ্জ, যাদবপুর- এইসব অঞ্চলে কিছু কিছু এলাকায় পর্যাপ্ত পানীয় জল পৌঁছতে পারেনি পুরসভা। সেখানে এখনও নলকূপের জলই ভরসা। শহরে প্রতিটি বাড়িতে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া পুরসভার টার্গেট। বাজেটেও জল সরবরাহ খাতে বরাদ্দ অর্থ থাকে বেশি। এবারও বাজেটে জল সরবরাহ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.