গোবিন্দ রায়: শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা ও ট্রাফিক পুলিশের হেনস্তার ঘটনায় এবার প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট। এনিয়ে রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কড়া সতর্ক করছেন বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার এজেসি বোস রোড ও খিদিরপুর রোডের সংযোগস্থলে এক আইনজীবীর গাড়ি আটকায় এক ট্রাফিক পুলিশ কর্মী। গত বছর মার্চ মাসের ঘটনা। চালকের লাইসেন্সও কেড়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পরই মামলা দায়ের হয়।
সেই মামলার শুনানিতেই আদালতে আবেদনকারীর আইনজীবীর দাবি, রাস্তায় বেরিয়ে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সংঘাত চালকদের নিত্যদিনের ঘটনা। আইনভঙ্গ করার অভিযোগে রাস্তার মাঝে আটকে দেওয়া হয় গাড়ি। লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করার ঘটনাও নতুন নয়। তার প্রেক্ষিতে, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য, গাড়ির লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা সহ ওই সংক্রান্ত যাবতীয় বিধি লঙ্ঘন করলে কর্তব্যরত পুলিশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা যেতে পারে। লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করার কী নিয়ম আছে তার জন্য ও ট্রাফিক বিধি কঠোরভাবে কার্যকরের জন্য রাজ্য ও কলকাতা পুলিশকে জোরাল প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে বলে সুপারিশ করেছে আদালত।
আদালত আরও জানিয়েছে, এ নিয়ে জটিলতা মিটে গিয়েছে। তাই ওই মামলায় ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিচ্ছে না হাই কোর্ট। কিন্তু ভবিষ্যতের কথা ভেবে গোটা রাজ্যে ট্রাফিক পুলিশের প্রশিক্ষণ চায় আদালত। একইসঙ্গে, ট্রাফিক পুলিশ যাতে সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করে, দায়িত্বশীল ও পেশাদার হয় সেই ব্যাপারেও সতর্ক করেছে আদালত। হাই কোর্টের রায়ের এই কপি, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের ডিসি ট্রাফিককে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বক্তব্য ‘পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি’! গুরুত্ব দিতে নারাজ তারেকের সরকার
-
ডিমের ভয়! আলাদত চত্বরে লুঙ্গি তুলে দৌড় ধৃত তৃণমূল নেতার
-
তৃণমূলের বিরুদ্ধে গান গাওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি! উদয়নের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শিল্পীর
-
মেয়র পদের পর খেলার মাঠও ছাড়ছেন ফিরহাদ, ইস্তফা ভলিবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে
-
‘জয় শ্রীরাম’, ‘জয় বুলডোজার বাবা’, মঞ্চে পা রাখতেই যোগীর উদ্দেশে স্লোগান জনতার