গোবিন্দ রায়: SIR নিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দেয় কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। নাগরিকত্বের আবেদন জানানোর নথি যেন SIR এর ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হয় সেই আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে একটি সংগঠন। ওই মামলাতে ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানায়, নাগরিকত্বের আবেদন করা মানেই কোনো অধিকার জন্মায় না। যাঁরা নাগরিকত্বের আবেদন জানিয়েছেন তাঁদের প্রত্যেকের বিষয়বস্তু আলাদা। ফলে জনস্বার্থ মামলায় তার বিচার করা সম্ভব নয়। যাঁরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা চাইলে আলাদা করে সমাধান খুঁজতেই পারেন বলেও জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
সোমবার মামলাকারীদের আইনজীবী মৈনাক বসু আদালতে দাঁড়িয়ে জানান, “জনস্বার্থ মামলায় সকলের কথা বলা হয়েছে। দেশ জুড়ে অন্তত ৫০ হাজার আবেদন পাঠানো হয়েছে। যে আবেদনগুলি পড়ে আছে সেগুলির ভবিষ্যৎ কী? কেন্দ্র হয় বিবেচনা করুক, নইলে বাতিল। অন্তত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। SIR-এর এনুমারেশন ফর্মে তাঁদের জন্য কোনও বিকল্প রাখাই হয়নি।” রাজ্য অবশ্য গোটা ঘটনার দায় নির্বাচন কমিশনের ঘাড়ে ঠেলেছে। রাজ্যের আইনজীবী জানান, “এই নিয়ে আমাদের কোনও ভূমিকা নেই। কমিশন যাবতীয় কাজ করছে।”
কেন্দ্রের এএসজি আইনজীবী অশোক চক্রবর্তী বলেন, “রাজ্যকে ৯০ দিনের মধ্যে আবেদন পাঠাতে হয় কেন্দ্রের কাছে। কিন্তু সেটা হয়নি। রাজ্য আমাদের কাছে কিছু পাঠায়নি।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব এদিন আদালতে স্পষ্ট জানান, “সিএএ করার কারণ, অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা। আগামী ১০ দিনের মধ্যে এটা বিবেচনা করা হবে। যারা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত তাদের দিকটা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, শুধু এই মামলার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁদের জন্য বিবেচনা করা হবে। তবে দেশের অন্যত্র যেখানে এই ধরনের মামলা বিচারাধীন, তাঁদের জন্য প্রযোজ্য নয়।” তবে শেষমেশ দ্বিতীয় দফার শুনানিতে এই মামলাটি খারিজ করে দেয় হাই কোর্ট।
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার