Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Calcutta HC

পুলিশি অত্যাচারে মৃত্যু! নদিয়ার মুরুটিয়া থানার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের

এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত অন্য একটি মামলায় আগেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৫, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৫, ১৬:৫২

options
link
পুলিশি অত্যাচারে মৃত্যু! নদিয়ার মুরুটিয়া থানার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

গোবিন্দ রায়: পুলিশি হেফাজতে নদিয়ার শওকত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। মঙ্গলবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। ২০২৩ সালে পুলিশি অত্যাচারে শওকতের মৃত্যুর অভিযোগ তোলে তাঁর পরিবার। সেই ঘটনার তদন্তভার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিল আদালত। উল্লেখ্য, এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত অন্য একটি মামলায় আগেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।

২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট গভীর রাতে নদিয়ার মুরুটিয়া থানার পুলিশ ১০ বছর আগের মাদক মামলায় অভিযুক্ত মোহন মণ্ডলের ভাই শওকত মণ্ডলকে মারধর করে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন ভোরে বাড়ির অদূরেই একটি বাঁশ বাগানে শওকতের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশি অত্যাচারে শওকতের মৃত্যু হয়েছে। ভাইয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের দ্বারস্থ হন দাদা মোহন। কিন্তু লাভ হয়নি। পরে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টে মামলা করেন মৃত শওকতের স্ত্রী মঞ্জুরা বিবি। সেই মামলায় এদিন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। আদালতে সওয়াল জবাবের সময় উঠে আসে আর জি কর প্রসঙ্গও। আর জি কর কাণ্ডে খুন-ধর্ষণ ও হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রেও কেন হবে না? ওঠে সেই প্রশ্নও।

Advertisement

উল্লেখ্য, ‘২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করার পরই, শওকত মণ্ডলের দাদা ও পরিবারের বিরুদ্ধে অন্য খুনের মামলা করে পুলিশ। পরিবার অভিযোগ তোলে, একটি খুনের মামলা ধামাচাপা দিতে অন্য একটি খুনের মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে তাঁরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে আগাম জামিনের আবেদন করে শওকতের পরিবার। সেই সময় বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাশ ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় পদক্ষেপেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন দুই বিচারপতি। এবার শওকতের মৃত্যুতেও সিবিআই তদন্ত দেওয়া হল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.