Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Calcutta HC post-poll violence

ভোট পরবর্তী হিংসায় কড়া হাই কোর্ট, আহতদের চিকিৎসা ও রেশনের ব্যবস্থার নির্দেশ রাজ্যকে

সব অভিযোগের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা মামলা দায়েরের নির্দেশ আদালতের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২১, ১৪:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২১, ১৪:০৪

options
link
ভোট পরবর্তী হিংসায় কড়া হাই কোর্ট, আহতদের চিকিৎসা ও রেশনের ব্যবস্থার নির্দেশ রাজ্যকে zoom
Advertisement

শুভঙ্কর বসু: ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll violence) নিয়ে রাজ্যকে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। শুক্রবার রাজ্যকে একাধিক বিষয়ে হাই কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও চরম ক্ষুব্ধ আদালত (Kolkata High Court)।

শুক্রবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসার ভার রাজ্য সরকারকে নিতে হবে। এখনও পর্যন্ত যতগুলি অভিযোগ এসেছে সমস্ত ঘটনায় পুলিশকে আলাদা আলাদা মামলা রুজু করতে হবে। শুধু তাই নয়, ফৌজদারি বিধির ১৬৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক অভিযোগকারীর গোপন জবানবন্দি নিতে হবে। হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের যাতে আর কোনও অসুবিধায় না পড়তে হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেকের বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। হিংসায় অনেকের ঘরবাড়ি পুড়েছে, সেক্ষেত্রে রেশন কার্ড হারানোর একটা সম্ভাবনা থাকছে। কারও রেশন কার্ড (Ration Card) হারালেও নতুন করে তাঁর রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করতে হবে প্রশাসনকেই। আর কারও রেশন কার্ড হারালেও তাঁকে যেন সাহায্য করা হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। বেলেঘাটায় ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিজিত সরকার নামের এক BJP কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। দ্বিতীয়বার তাঁর দেহের ময়না তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: Kasba Fake Vaccine: গ্রেপ্তার দেবাঞ্জন দেবের নিরাপত্তারক্ষী অরবিন্দ বৈদ্য]

প্রসঙ্গত, হাই কোর্টের নির্দেশেই গত ২৪ জুন মানবাধিকার কমিশনের (Human Rights Commission) সাত সদস্যের কমিটি রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসে। শুক্রবার আদালতে মানবাধিকার কমিশনের আইনজীবী জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা ২৮ জুন পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। রাজ্যের মোট  ১৬৮ জায়গায় ঘুরে দেখেছে মানবাধিকার কমিশনের দল। যত সংখ্যক অভিযোগ আসছে, তা এত কম সময়ে এত অভিযোগ শুনে তার নিস্পত্তি করা অসম্ভব। মানবাধিকার কমিশনের তরফে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সময় চাওয়া হয়। পুলিশের তরফে সহযোগিতা করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়। যার ভিত্তিতে আদালত পুলিশকে তিরস্কার করেছে। অন্যদিকে মানবাধিকার কমিশনকে রাজ্যের অন্য প্রান্তে যাওয়ার জন্য ১৩ জুলাই অবধি সময় দেওয়া হয়েছে। সেদিনই কমিশন পরবর্তী পর্যায়ের  রিপোর্ট দেবে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.