Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Shahjahan Seikh

‘খুনের মামলার চার্জশিট থেকে কীভাবে বাদ শাহজাহানের নাম?’, রাজ্য পুলিশকে ‘ভর্ৎসনা’ হাই কোর্টের

প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্যর পরেও কেন শেখ শাহজাহানের নাম চার্জশিটে রইল না, প্রশ্ন করেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৪, ২০:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৪, ২০:০৬

options
link
‘খুনের মামলার চার্জশিট থেকে কীভাবে বাদ শাহজাহানের নাম?’, রাজ্য পুলিশকে ‘ভর্ৎসনা’ হাই কোর্টের zoom
সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান

গোবিন্দ রায়: সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় শেখ শাহজাহানকে আড়াল করছে রাজ্য পুলিশ, এমনই বিস্ফোরক দাবি কলকাতা হাই কোর্টের। শুক্রবারের শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত ক্ষোভ উগরে দেন। প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্যর পরেও কেন শেখ শাহজাহানের নাম চার্জশিটে রইল না, প্রশ্ন করেন তিনি।

রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির স্ক্যানারে শেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh)। গত ৫ জানুয়ারি, সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার আকুঞ্জপাড়ায় তাঁর বাড়ির সামনে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপর হামলার প্রায় ৫৫ দিন পর গত ২৯ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হন শেখ শাহজাহান। আপাতত সিবিআই হেফাজতে তিনি। শাহজাহানের বিরুদ্ধে বিঘার পর বিঘা জমি ও ভেড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে। তেমনই আবার নারী নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে। তারই মাঝে উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে খুন ও অস্ত্র আইনে ন্যাজাট থানায় মামলা হয়। ওই খুনের মামলার তদন্তভার নেয় সিআইডি। তবে চার্জশিটে নেই শেখ শাহজাহানের নাম। এই মামলায় ইতিমধ্যেই কেস ডায়েরি তলব করে হাই কোর্ট। রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে তা বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর কাছে জমা দেওয়া হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রনেতা হিসেবে ভুটানের সর্বোচ্চ সম্মান পেলেন মোদি]

কেস ডায়েরি দেখে ক্ষোভপ্রকাশ করেন বিচারপতি। তাঁর প্রশ্ন, ”শেখ শাহজাহানের নাম অভিযুক্তদের তালিকায় এক নম্বরে। তাহলে চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দিলেন কেন? প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি দেওয়ার পরেও কীভাবে বাদ যায় শেখ শাহজাহানের নাম? আপনি ঠিক করে নিলেন কোন সাক্ষীকে আপনি বিশ্বাস করবেন না?” এ প্রসঙ্গে রাজ্যের সিনিয়র অ্যাডভোকেট অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে উত্তরও চান বিচারপতি। অবশ্য তিনি এদিন আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। আগামী ১ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন আদালতে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে রাজ্যের সিনিয়র অ্যাডভোকেটকে। সেদিন বিচারপতির এজলাসে উত্তর দিতে হবে।

[আরও পড়ুন: ‘সিরিয়াল ছেড়েছি তৃণমূলের জন্য’, ভোটের মুখে বড় কথা লাভলির!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.